গুলশান হামলায় নিহতদের স্মরণে জাপানে শোক

আপডেট : ১১ জুলাই ২০১৬, ১৯:১৯
গত ১লা জুলাই ঢাকার গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলায় ২০জন নিহত হয় যার  ৭ জন জাপানি নাগরিক। এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন জাপান প্রবাসী শতাধিক বাংলাদেশিসহ জাপানি নাগরিকরা। রবিবার টোকিওস্থ কামিনাকাজাতোতে অবস্থিত তাকিনোগাওয়া বুনকা সেন্টারে সন্ধ্যায় এই শোকসভার আয়োজন করা হয়।
 
জাপান প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংগঠন ‘বাংলাদেশি কমিউনিটি’ এর আয়োজনে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা।অনুষ্ঠানে নিহতের আত্নার শান্তি কামনায় ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
 
প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাবাব ফাতিমা বলেন, এ ঘটনায় আমরা হতবাক হয়ে গেছি। এজন্য গোটা জাপান জাতির কাছে আমরা দু:খ প্রকাশ করছি।  তিনি বলেন, নিহতদের পরিবারদেরকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সমবেদনা জানানো হবে।  রাবাব ফাতিমা বলেন, একটা গোষ্ঠী বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিকমহলে হেয় করার উদ্দেশ্যে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। এই ঘটনার সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে বিচার হবে বলেও জানান রাষ্ট্রদুত।
 
এমন ঘটনা যেন ভবিষ্যতে আর না ঘটে সেজন্য সরকার অত্যন্ত সচেতন বলেও জানান রাবাব ফাতিমা। এজন্য সবার সহযোগীতাও প্রত্যাশা করেন তিনি।
 
বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের সাবেক রাষ্ট্রদূত হরিগুচি বলেন, আমি বাংলাদেশে ৭ বছর ছিলাম। বাংলাদেশের মানুষরা খুবই আন্তরিক এবং অতিথিপরায়ন। আমার বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে যে, এমন ঘটনা বাংলাদেশের মতো দেশে ঘটেছে।
 
শোকসভায় আরো বক্তব্য দেন-মি. তৈয়দা কানায়ে, মি. ওকুনো নোরিইওসী, মি. নাকানীশি নবু্হিসা, শেখ ওয়াজির আহম্মেদ, মুন্সী কে আজাদ, সালেহ মো. আরিফ, খন্দকার আসলাম হীরা, বাদল চাকলাদার, মোফাজ্জল হোসেন, আলমগীর হোসেন মিঠু, নাসিরুল হাকিম, নুর খান রনিসহ আরো অনেকে।
এছাড়াও শোকসভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের সাবেক রাষ্ট্রদূত হরিগুচিসহ জাপান আওয়ামী লীগ, জাপান বিএনপি ও অন্যান্য দলের নেতা কর্মীরা। এছাড়াও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক জাপানি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
 
অনুষ্ঠানে প্রত্যেকেই ফুল দিয়ে নিহতদের স্মরণ করেন।