গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে হামলার ঘটনা তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা ১০৯টি সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ জব্দ করেছেন। ঘটনার দিন রাত পৌনে ৮টা থেকে প্রায় সোয়া ১ ঘণ্টার ভিডিও ফুটেজ জব্দ করা হয়েছে। পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার মুশতাক আহমেদ বলেন, ঘটনা তদন্তের জন্য ভিডিও ফুটেজ জব্দ করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকায় ৫শ ৪২টি সিসি ক্যামেরা রয়েছে। শুধু গুলশানে রয়েছে ১শ ৯টি। পুলিশ জানিয়েছে, ক্যামেরাগুলো ফেস ডিটেকশন ও গাড়ির অটো নম্বর প্লেট শনাক্ত করতে পারে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইউনিটের এক কর্মকর্তা বলেন, শুলশান এলাকায় কয়েকদিন আগে পুলিশের উদ্যোগে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সহায়তায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ১০৯টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। দুই মেগা পিকজেলের এই ক্যামেরাগুলোর ভিডিও ফুটেজ মোটামুটি স্পষ্ট। হেঁটে অথবা গাড়িতে করে হামলাকারীরা ঘটনাস্থলে যেতে পারে। গুলশান এলাকায় পুলিশের ১৪টি চেকপোস্ট এড়িয়ে প্রবেশের কোনো সুযোগ নেই। এই চেকপোস্টগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা আছে। হামলাকারীদের ৭৯ নম্বর সড়কে পৌঁছতে হলে ১০-১২টি সিসি ক্যামেরার সামনে দিয়ে যেতে হবে। এজন্যই হামলার আগে ও পরে মিলে সোয়া ১ ঘণ্টা সময়ের ভিডিও ফুটেজ জব্দ করে যাচাই করা হচ্ছে। আনুমানিক একশ ঘণ্টার ভিডিও ফুটেজ জব্দ করা হয়েছে বলে ঐ কর্মকর্তা জানান। তবে এসব ভিডিও ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করতে আরো সময় লাগবে।
গুলশানের ৭৮ নম্বর সড়কের একটি সিসি ক্যামেরার জব্দ করা ভিডিও ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, ঐ ফুটেজে হামলার সময় তিন যুবককে হেঁটে যেতে দেখা গেছে। তাদের চেহারার মধ্যে চাঞ্চল্যের ভাব দেখা গেছে। তারা মাঝে মধ্যেই এদিক-ওদিক তাকাচ্ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, এরা বাইরে থেকে রেকি করা টিমের সদস্য। এদের ছবি তৈরি করা হয়েছে। তবে তাদেরকে এখনো শনাক্ত করা যায়নি।
