ব্যাটারি লাইফে ভিলেন যেসব অ্যাপ

আপডেট : ২০ জুলাই ২০১৬, ১০:২৭
স্মার্টফোনগুলো যেন একেকটি পূর্ণাঙ্গ কম্পিউটার। এমনকি, সাধারণ কম্পিউটারের চেয়েও বাড়তি কিছু পাওয়া যায় স্মার্টফোনে। কিন্তু সব ব্যবহারকারীরই প্রায় এক অভিযোগ, ব্যাটারির চার্জ বেশিক্ষণ থাকে না। আগের জমানার মোবাইল ফোনগুলোর তুলনায় স্মার্টফোনে কাজ করার সুযোগ অনেক বেশি বলে ব্যাটারিও বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে।
 
এখানে একটা কথা মনে রাখা জরুরি যে, স্মার্টফোনের ব্যাটারি তার ইনবিল্ট স্পেসিফিকেশনের উপর নির্ভর করলেও এমন বেশ কিছু অ্যাপ রয়েছে, যারা দ্রুত চার্জ নিঃশেষ করে দেয়। এই প্রতিবেদনে এমন কয়েকটি অ্যাপের কথা জানিয়ে ব্যবহারকারীদের সাবধান করে দেওয়া হলো। ভুলেও প্লে-স্টোর থেকে এই ৫ অ্যাপ ডাউনলোড করবেন না।
 
ব্যাটারি সেভার অ্যাপস
প্লে-স্টোরে এমন প্রচুর অ্যাপ রয়েছে যেগুলি র‍্যাম ক্লিন করার, ব্যাটারি সেভ করার প্রতিশ্রুতি দেয়। ভুলেও ওই অ্যাপগুলি ডাউনলোড করবেন না। এগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে, এমনকি ফোনের স্ক্রিন ‘লকড’ থাকলেও।
 
সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ
ফেসবুক বা হোয়াটসঅ্যাপ-এর মতো সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপগুলো সবসময় ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে। ইন্টারনেট সংযোগ পেলেই এই অ্যাপগুলো নোটিফিকেশন দেখাতে দেরি করে না। মেসেঞ্জারের মতো অ্যাপ প্রচুর ডেটা ও ব্যাটারি-দুই খরচ করে। পারলে ফেসবুক লাইট ব্যবহার করুন। এতে ব্যাটারি ও ডেটা-দুটোই বাঁচবে।
 
অ্যান্টি-ভাইরাস অ্যাপ
ব্যাটারি সেভার অ্যাপের মতো যে কোনও অ্যান্টি-ভাইরাস অ্যাপ ব্যাটারির বারোটা বাজিয়ে দেয়। স্পাইওয়্যার খুঁজতে ক্রমাগত ফোনকে স্ক্যান করে যায়। বন্ধ করলেও খানিকক্ষণ পর ফের নিজে থেকেই এই ধরনের অ্যাপগুলো চালু হয়ে যায়।
 
ফটো-এডিটিং, গেমিং অ্যাপ
ছবি তুলতে ভালবাসেন ক্ষতি নেই, কিন্তু জেনে রাখুন এডিটিং অ্যাপগুলো কিন্তু স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ব্যাটারি খরচ করে। শুধু ফটো-এডিটিং অ্যাপই বা বলছি কেন, গেমিং অ্যাপগুলোও কম ক্ষতিকারক নয়।
 
ইন্টারনেট ব্রাউজার অ্যাপ
চেষ্টা করুন অপেরা মিনি-র মতো লাইট ব্রাউজিং অ্যাপ ব্যবহার করতে। ডিফল্ট ব্রাউজিং ছাড়া অ্যাপ ছাড়া বাকি ব্রাউজারগুলো ডিলিট করে ফেলুন।
 
প্রশ্ন উঠতেই পারে, উপরের সবকটি অ্যাপ ডিলিট করলে স্মার্টফোনে থাকার মতো অ্যাপ আর রইল কী কী? সবক'টি অ্যাপ ডিলিট বা অন-ইনস্টল করতে আপনাকে বলছি না, কিন্তু ব্যাটারির খরচ কমাতে হলে ওই সব অ্যাপের মধ্যে থেকে যেগুলি সবচেয়ে কম দরকারি-সেগুলি মুছে ফেলুন।