চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হচ্ছে জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব বান কি মুনের দ্বিতীয় মেয়াদ। তার আগেই নির্বাচন করা হবে সংস্থাটির পরবর্তী মহাসচিব। এখন পর্যন্ত ১২ জন এই পদের জন্য প্রার্থী হয়েছেন। সর্বশেষ প্রার্থিতা নিশ্চিত করেছেন জাতিসংঘের জলবায়ু বিষয়ক সাবেক প্রধান ও প্যারিস জলবায়ু চুক্তির অন্যতম রূপকার ক্রিস্টিনা ফিগারেস। কোস্টারিকা সরকারের মনোনীত ক্রিস্টিনা ফিগারেসকে এই পদের অন্যতম শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী বলেই বিবেচনা করা হচ্ছে।
গত সপ্তাহে ফিগারেস জাতিসংঘের সদর দপ্তরে বিভিন্ন সদস্য দেশের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক সাক্ষাত্কার দিয়েছেন। এই প্রকাশ্য সাক্ষাত্কার প্রায় দুই ঘণ্টা চলে। সাক্ষাত্কারে ক্রিস্টিনা ফিগারেস জাতিসংঘের প্রতি নিজের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন। টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনার বাস্তবায়ন, লিঙ্গ-সাম্য, বিশ্বের শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষাসহ নানা ইস্যু নিয়ে সদস্য দেশ, জি-৭৭, চীন ও ইইউর প্রতিনিধিদের প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। ক্রিস্টিনা ফিগারেস ২০১০ সাল থেকে জাতিসংঘের জলবায়ু বিষয়ক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
জানা গেছে, জাতিসংঘ অধিবেশনে চলতি বছর এপ্রিল ও জুনে ১১ জন প্রার্থী এ ধরনের সাক্ষাত্কার দিয়েছেন। এদের মধ্যে নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বর্তমানে ইউএনডিপির প্রশাসক হেলেন ক্লার্ক, বুলগেরিয়ার সাবেক ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও ইউনেস্কোর বর্তমান মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা, মলদোভার সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাতালিয়া ঘেরমান, পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সাবেক হাইকমিশনার এন্টনিও গুতিয়ারেস, ক্রোয়েশিয়ার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভেসনা পুসিক ও স্লোভেনিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ও জাতিসংঘের সাবেক এসিসট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল দানিলো তুর্ক অন্যতম।
