উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণে নদ-নদীর পানি বেড়ে গাইবান্ধার তিস্তা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্রের চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
বিপদ সীমা ছুই ছুই করছে নদীগুলোর পানি। ফলে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে জেলার সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার প্রায় ২০ হাজার মানুষ। ওইসব এলাকার লোকজন গবাদি পশু, হাঁস-মুরগি নিয়ে অতিকষ্টে দিনাতিপাত করছেন। অনেকেই আশ্রয় নিয়েছেন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে।
এক ইসঙ্গে নদী ভাঙনে অন্ত:ত ৫০০ পরিবার গৃহহারা হয়ে পড়েছে। তলিয়ে গেছে শত শত হেক্টর তোষা পাট, আমনের বীজতলা ও আগাম সবজি ক্ষেত।
অপরদিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার লখিয়ারপাড়া গ্রামের আজগর আলী (৬০) বন্যার পানিতে ডুবে মারা গেছেন। এছাড়া পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জেলার নদী তীরবর্তী এই তিনটি উপজেলার চরাঞ্চলের ৫০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় কক্ষে পানি ওঠায় অঘোষিতভাবে বিদ্যালয়গুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) হাবিবুল আলম জানায়, পানিবন্দি মানুষের তালিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। তাদের জন্য অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্র স্থাপন ও ত্রাণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
