পদ্মায় ধসে পড়ছে সিসি ব্লক হুমকির মুখে ছয়টি গ্রাম

আপডেট : ১১ আগস্ট ২০১৬, ০০:১৪
পদ্মা নদীতে তীব্র ভাঙন না থাকলেও পানি বাড়ার সাথে সাথে নদীর তীর রক্ষায় নির্মিত সিসি ব্লকের তৈরি নদী ভাঙন রোধ ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়েছে। ইতোমধ্যেই প্রায় ৩০ মিটার এলাকার সিসি ব্লক পদ্মা নদীতে ধসে পড়েছে। সিসি ব্লকের ধস ঠেকাতে সম্প্রতি পানি উন্নয়ন বোর্ড এক হাজার জিও ব্যাগ নদীতে ফেললেও তা তেমন কাজে আসছে না বলে দাবি করছেন এলাকাবাসী।
 
ফলে লালপুর উপজেলার নদী তীরবর্তী পালিদেহা, গৌরীপুর, নুরুল্লাপুর, লক্ষীপুর, তিলকপুর ও নবীনগর গ্রাম হুমকির মুখে পড়ছে। আর এ জন্য এলাকার লোকজন শুষ্ক মৌসুমে নদী থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলনকে দায়ী করছেন। নদীর তলদেশ থেকে বালি উত্তোলনের ফলেই সিসি ব্লকের নিচ থেকে মাটি সরে গিয়ে সিসি ব্লক নদীতে ধসে পড়ছে।
 
এলাকাবাসী জানান, পদ্মা নদীর লালপুর উপজেলার নবীনগর, লক্ষীপুর, পালিদেহা ও গৌরীপুর এলাকা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হয়ে থাকে। এলাকার প্রভাবশালী একটি মহল এ কাজের সাথে জড়িত। ফলে ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পান না। দীর্ঘদিন ধরে বালু মহল ইজারা না হলেও নদী থেকে বালু ও ভরাট উত্তোলন থেমে থাকে না। প্রতি বছরই নদীর তলদেশ থেকে বালু উত্তোলন করা হয়।
 
এদিকে উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, বালু মহাল নিয়ে মামলা থাকায় ২০০৯ সাল থেকে লালপুরের বালু মহাল ইজারা দেওয়া হয়নি। এ ছাড়া পালিদেহা, নবীনগর, লক্ষীপুর এসব এলাকা বালু মহাল হিসাবে ঘোষণা হয়নি। ফলে ইজারা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
 
পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল করিম জানান, এলাকাবাসীর দাবির মুখে পালিদেহার একটি মসজিদ রক্ষার্থে পদ্মা নদীতে ধসে যাওয়া ব্লকের কাছে এক হাজার জিও ব্যাগ ফেলানো হয়েছে। নদীর তীর রক্ষার কাজটি অনেক আগে হওয়ায় প্রতি বছরই কিছু অংশ ভেঙে পড়ে।
 

ইত্তেফাক/ এ এন