ইকুয়েডর বলেছে, লন্ডনে তাদের দূতাবাসে সুইডিশ কর্মকর্তারা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের সাক্ষাতকার নিতে পারবেন। উইকিলিকস প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান ২০১২ সালের জুন থেকে ওই দূতাবাসে অবস্থান করছেন।
বুধবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, লন্ডনে কুইটোর দূতাবাসে সুইডিশ কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাতের বিষয়ে ইকুয়েডর সরকার ইতোমধ্যে চিঠি পাঠিয়েছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বৈঠকটি হওয়ার কথা রয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। জুলিয়ানের বিরুদ্ধে ২০১০ সালে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। সুইডিশ কৌঁসুলিরা সে বিষয়ে তার সাক্ষাতকার নিতে চান।
সুইডেনের হাতে সমর্পণের বিরুদ্ধে ব্রিটেনে আইনি সকল পথ নিঃশেষ হওয়ার পর অস্ট্রেলীয় নাগরিক জুলিয়ান(৪৫) ইকুয়েডর দূতাবাসে আশ্রয় চান। জুলিয়ানের আশংকা সুইডেনে পাঠানো হলে তাকে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেয়া হতে পারে। কারণ উইকিলিকস যুক্তরাষ্ট্রের গোপন হাজার হাজার তথ্য ফাঁস করেন। এরফলে যুক্তরাষ্ট্রে তার দীর্ঘ কারাদণ্ড কিংবা মৃত্যুদণ্ডও হতে পারে।
এদিকে গতমাসে সুইডেনের জেলা আদালত জুলিয়ানের বিরুদ্ধে ইউরোপিয় গ্রেফতারি পরোয়ানা অব্যাহত রাখে। যদিও তার আইনজীবীরা গ্রেফতারি পরোয়ানা তুলে নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। এর আগে ইকুয়েডর ধর্ষণ তদন্তে সুইডেনকে নাক গলাতে না দেয়ার কথা বলেছিল। কিন্তু দেশটি সম্প্রতি বলেছে, স্টকহোম জুলিয়ানকে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেবে না কেবল এ আশ্বাস দিলেই তারা সুইডেনে তাকে স্থানান্তরিত করবে। এএফপি।
ইত্তেফাক/এসএসএ
