ঝড়ো হাওয়ায় পল্লী বিদ্যুতের ১১ হাজার কেভি লাইনের তার ছিঁড়ে পড়ে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ঘটনাস্থলে একজন ও চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো একজন সহ মোট দুইজন নিহত হয়েছে। এ ছাড়া আহত হয়েছে ১১ জন। রবিবার রাত আটটার দিকে উপজেলার গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের খামাত গাড়াগ্রাম গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনাস্থলে নিহত হয় ওই গ্রামের জাবেদ আলীর ছেলে সাজেদুল ইসলাম বাবু(২৫)। আহতদের মধ্যে ১২ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যায় কফিল উদ্দিনের ছেলে তরিকুল ইসলাম (৩৫)। বর্তমানে রংপুরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১১ জনকে ভর্তি করা হয়েছে।
ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক হোসেন জানান রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এলাকায় ঝড়ো হাওয়া সহ বৃষ্টি হচ্ছিল। এ সময় পল্লী বিদ্যুতের ১১ হাজার কেভি লাইনের তার ছিঁড়ে পড়লে গ্রামের বিপ্লব হোসেনের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে তার বাড়ির একটি ঘর পুড়ে যায়। সে সময় এলাকায় বিদ্যুত চালু ছিলনা। এ অবস্থায় রাত আটটার দিকে হঠাৎ করে বিদ্যুৎ লাইন চালু হলে মাটিতে ছিঁড়ে পড়ে থাকা ১১ হাজার কেভি লাইনের বিদ্যুতে ঘটনাস্থলে নিহত হয় বাবু মিয়া। তাৎক্ষনিক ভাবে খবরটি পল্লী বিদ্যুত'কে জানালে তারা বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ করে দেয়ার আগেই এ ঘটনায় ১২ জন আহত হয়।
আহত ১২ জনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তরিকুল ইসলাম মারা যায়। বাকী ১১ জনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এদিকে এ ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম মেহিদী হাসান ও থানার ওসি বজলুর রশিদ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
