রাজধানীর পান্থপথে বসুন্ধরা শপিং মলে জ্বলে থাকা আগুন মঙ্গলবার পুরোপুরি নির্বাপন করা সম্ভব হয়ছে। রবিবার বেলা সাড়ে ১১ টায় জ্বলে ওঠা আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের টানা দুইদিন সময় লাগলো। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা শপিং মলের নিয়ন্ত্রণ বসুন্ধরা কর্তৃপক্ষকের কাছে বুঝিয়ে দিয়েছে।
তবে মঙ্গলবার পর্যন্ত এ আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাপ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। এদিকে দোকান মালিক সমিতি ও বসুন্ধারা শপিং মল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগুনে ক্ষতি হওয়া দোকানগুলো সংস্কার করতে আরো সাত দিন সময় লাগবে। সাতদিনের আগে শপিং মলটি পুরোপুরি চালু করা সম্ভব নয়।
আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নিরূপনে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান ফায়ার সার্ভিসের উপ পরিচালক অজিত রায় জানান, বসুন্ধারা শপিং মল থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা চলে গেলেও ফায়ারের একটি টিম সেখানে পর্যবেক্ষণ করবে। কারণ এখনও ক্ষয়ক্ষতি পুরো নিরূপন করা সম্ভব হয়নি। তা শেষ না হতে আনুমানিক কিছু বলা যাবে না।
ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মকর্তা বলেন, ভবনটি থেকে ধোয়া বের হওয়ার যতোগুলো পথ থাকার কথা তা নেই। কয়েকটি গ্লাস ভেঙে ধোয়া বের করা হলেও তা পর্যাপ্ত নয়। এ ছাড়া পুরো ভবনে কেন্দ্রীয়ভাবে শীততাপ নিয়ন্¿িত (সেন্ট্রাল এসি) যন্¿ থাকায় বিভিন্ন ফ্লোরেও এ ধোয়া ছড়িয়ে পড়ে।
এদিকে আজ দুপুরে বসুন্ধরা শপিং মলের কর্মকর্তাদের সঙ্গে দোকান মালিক সমিতির প্রতিনিধি দল ও ক্ষতিগ্রস্ত কয়েক ব্যবসায়ী পুড়ে যাওয়া দোকানগুলো পরিদর্শন করেছেন। বেরিয়ে এসে তাদের মধ্যে কয়েক ব্যবসায়ী জানান, সি ব্লকের পুড়ে যাওয়া দোকানগুলো থেকে এখনও আগুনের তাপ বেরুচ্ছে। সরাসরি ধোয়া দেখা না গেলেও আটকে থাকা ধোয়ায় চোখ জ্বলছে। ব্যবসায়ীরা আরো জানান, বসুন্ধরা কর্তৃপক্ষ মার্কেটটিকে দ্রুত চালু করার জন্য কাজ করছে। আজ থেকে বিভিন্ন ফ্লোরের কিছু দোকানের মালিকদের মার্কেটের ভেতরে ঢুকতে দেয়া হবে। যাতে তারা আগুন নেভাতে গিয়ে ছিটানো পানিতে ক্ষতি হওয়া মালামালগুলো উদ্ধার করতে পারেন। তবে পুরো মার্কেট চালু হতে আরও অন্ত সপ্তাহ খানেক লাগবে বলে কর্তপক্ষ তাদের জানিয়েছে।
ইত্তেফাক/এএম।
