ভূমিকম্প গবেষণায় নব দিগন্তের সূচনা

আপডেট : ২৮ আগস্ট ২০১৬, ১১:৩২
 
প্রথমবারের মত গভীর ভূস্পন্দন সনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে বিজ্ঞানীরা। ইয়াহু নিউজ তাদের এক প্রতিবেদনে জানায়, জাপানের একদল বিজ্ঞানী শক্তিশালী ঝড়ের কাছে এই গভীর ভূস্পন্দন সনাক্ত করতে পেরেছে। ইউএস জার্নাল সাইন্সে এ বিষয়ক এক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে জানানো হয়েছে, এই গবেষণার তথ্য পরবর্তীতে ভূমিকম্প ও সমুদ্রের ঝড় সনাক্তের ক্ষেত্রে সহায়তা করবে।
 
গ্রিনল্যান্ড ও আইসল্যান্ডের মধ্যবর্তী স্থানে আঘাত করা ঝড় 'ওয়েদার বোম' সমুদ্রে যে স্থানে সৃষ্টি হয়েছে সেখানের সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এমন এক গভীর ভূস্পন্দন সনাক্ত করেছে বিজ্ঞানীরা। ভূপৃষ্ঠ ও সমুদ্রপৃষ্ঠে সিসমিক সরঞ্জাম ব্যবহার করে প্রথমবারের মত 'মাইক্রোসিসম' বা রিখটার স্কেলে ২ এরও কম মাত্রার কম্পনের সন্ধান পাওয়া গেছে। এই কম্পনকে বলা হচ্ছে 'এস ওয়েভ'।
IMG0
বড় ধরণের ঘূর্ণিঝড়ের সময় 'পি ওয়েভ' নামের এক ধরণের তরঙ্গ পাওয়া যায়। 'পি ওয়েভ' বেশ দ্রুততার সঙ্গে ঘটে এবং কখনো কখনো প্রাণীরা ভূমিকম্পের আগে এই তরঙ্গ অনুভব করতে পারে। অন্যদিকে 'এস ওয়েভ' পানির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় না। তা শুধুমাত্র ভূমি অঞ্চলেই অনুভব করা যায়। ভূমিকম্পের সময় মানুষও তা অনুভব করে।
 
জাপানে 'ন্যাশনাল ইনিস্টিটিউট ফর আর্থ সাইন্স অ্যান্ড ডিজাস্টার প্রিভেনশন' চুগোকুতে তাদের ২০০টিরও বেশি স্টেশন থেকে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সেখানে গবেষক কিওয়ামু নিশাদা ও রিওতা তাকাগু উত্তর আটলান্টিকে হওয়া 'ওয়েদার বোম' ঝড়ের সময় সৃষ্ট 'পি ওয়েভ'-এর পাশাপাশি 'এস ওয়েভ'-কেও সফলতার সঙ্গে সনাক্ত করতে পেরেছে। প্রথমবারের মত কোন গবেষক 'এস ওয়েভ' সনাক্ত করতে পেরেছে। মাইক্রোসিসম এস ওয়েভ এতটাই ক্ষীণ যে তা মাত্র ০.০৫ থেকে ০.৫ এইচজেড ফ্রিকোয়েন্সির মধ্যে।
 
গবেষণা পত্রে দেখানো হয়েছে, কিভাবে বিজ্ঞানীরা এই তরঙ্গটি খুঁজে পেয়েছে। ইয়াহু নিউজ।
 
ইত্তেফাক/আরএ