জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট ‘নিরাপত্তার কারণে’ উত্তর ইরাকে নিজেদের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে বোরকা নিষিদ্ধ করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আইএস তাদের নিরাপত্তা কেন্দ্রগুলোতে বোরকা পরা অবস্থায় চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।
মুখঢাকা নেকাব ও বোরকা পরিহিত এক নারী সম্প্রতি মসুলের একটি নিরাপত্তা কেন্দ্রে ঢুকে আইএসের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর পর জঙ্গিগোষ্ঠীটি এ সিদ্ধান্ত নিলো। ওই হামলায় জঙ্গিগোষ্ঠীটির বেশ কয়েকজন কমান্ডার নিহত হন।
নৃশংসতার জন্য কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠন আইএস এর আগে সিরিয়া ও ইরাকে তাদের দখল করা অঞ্চলে নারীদের বোরকা পরতে বাধ্য করেছিল। মুখ ও চোখ পুরোপুরি ‘আবৃত’ বোরকা না পরার ‘অপরাধে’ আইএসের ‘মোরাল পুলিশ’ নারীদের উপর অত্যাচার, কাউকে কাউকে হত্যাও করেছিল। গেল মাসে সিরিয়ার শহর মানবিজ ও আলেপ্পো আইএসমুক্ত হওয়ার পর শহর দুটির অনেক নারীকে বোরকা ও নেকাব ফেলে দিয়ে উল্লাস করতে দেখা গেছে।
আইএসের হাত থেকে ইরাকের মানবিজ মুক্ত হওয়ার পর প্রকাশিত ভিডিওতে এক নারীকে নেকাব সরিয়ে ফেলতে দেখা গেছে। তিনি তার মুখে আইএসের নির্যাতনের চিহ্নও দেখিয়েছিলেন। একই ভিডিওতে তরুণীদের অনেককেই বোরকা ফেলে তাতে আগুন দিতে দেখা গেছে।
২০১৪ সাল থেকে দখল করে রাখা মানবিজ হাতছাড়া হওয়ার পর জঙ্গিগোষ্ঠীটি আরও বেশ কয়েকটি শহর হারিয়েছে। গেল সপ্তায় তুরস্ক তাদের সীমান্ত থেকে আইএসকে হটিয়ে দিয়েছে বলে দাবি করেছে। এই সীমান্ত দিয়ে আইএস বহির্বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতো। সূত্র: বিবিসি
ইত্তেফাক/এমএএস
