হৃদরোগে মৃত্যুবরণকারী চাপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জের শুকতাইল গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে । কেউ তার অসময়ের প্রস্থানকে মেনে নিতে পারছে না।
জাহিদুল ইসলামের চাচাতো ভাই গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার শুকতাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. শহীদুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে শুকতাইল ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজার পর পারিবারিক কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়।
তার জানাজার নামাজে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার আব্দুস সামাদ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মাহমুদ হাসান, ঢাকার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার এমডি আল-আমিন, গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোখলেসুর রহমান সরকার, পুলিশ সুপার এস এম এমরান হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খান, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ লুৎফর রহমান বাচ্চুসহ কয়েকটি জেলার জেলা প্রশাসক, বিভিন্ন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, রাজনৈতিক, সামাজিক ব্যক্তিবর্গসহ স্থানীয়রা অংশ নেন।
তিনি আরো জানান, বৈবাহিক জীবনে জাহিদুল ইসলাম ২ মেয়ে ও ১ ছেলের জনক। তার বড় মেয়ে জান্নাতুল ইসলাম মীম ঢাকা গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী। ছোট মেয়ে ফাহেমা-তুজ-জোহরা দশম শ্রেণিতে ও মোহম্মদ ইয়াছিন দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
জাহিদুল ইসলাম ১৯৬৮ সালের ২৫ এপ্রিল গোপালগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার শুকতাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শুকতাইল গ্রামের সায়েদুল হক মোল্লার ছেলে। ৫ ভাই ও ২ বোনের মধ্যে জাহিদুল ইসলাম ছিলেন সবার বড়।
১৯৯৪ সালের এপ্রিলে ত্রয়োদশ বিসিএসের (প্রশাসন) মাধ্যমে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। এর পর পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া, ঝিনাইদহের মহেশপুর, সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও বাগেরহাটের কচুয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
জাহিদুল ইসলাম খুলনার এডিসি ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ছিলেন। চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্চের জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পান।
ইত্তেফাক/ইউবি
