নাম কিশোর ভাজিয়াওয়ালা। তবে এক সময় 'চাওয়ালা' নামেই তাকে চিনতো সবাই। এখন অবশ্য সুদের কারবার করেন। আর এই সুদের কারবার করেই বিশাল সম্পত্তির মালিক বনেছেন তিনি। তার দ্বারে ভারতের আয়কর বিভাগ হানা দেয়ায় প্রকাশ্যে এসেছে এসব তথ্য। উদ্ধার হয়েছে প্রায় ১০.৫০ কোটি রুপির সম্পদ!
আয়কর বিভাগের কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই অর্থের কিছুটা উদ্ধার করা হয়েছে কিশোর ভাজিয়াওয়ালার বাড়ি থেকে, আর কিছুটা উদ্ধার করা হয়েছে তার কারখানা থেকে।
তা কীভাবে এক চাওয়ালা থেকে কিশোর ৪০০ কোটি রুপির মালিক হলেন? ভারতের গুজরাটের সুরাটের রাস্তার ধারে চায়ের দোকান খুলেছিলেন কিশোর। সেখান থেকেই তার সুদের ব্যবসার শুরু। আর সেই সুদের ব্যবসা থেকেই একেবারে কোটিপতি হয়ে যান তিনি।
আয়কর বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কিশোরের কাছ থেকে মিলেছে ১.০৫ কোটির নতুন নোটসহ ১.৪৫ নগদ রুপি, ১.৪৯ কোটি রুপির সোনার-রুপোর বাট, ৪.৯২ কোটি রুপির সোনার গয়না, ১.২৮ কোটি রুপির রুপোর গয়না এবং ১.৩৯ কোটি রুপির অন্যান্য বহুমূল্য রত্নের গয়না। সব মিলিয়ে তার মোট বেআইনি সম্পত্তির পরিমাণ ১০.৫০ কোটি রুপি।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নোট বাতিল সিদ্ধান্তের খবর পেয়ে কিশোর এক মন্দিরের পুরোহিতের অ্যাকাউন্টে কিছু অর্থ জমা করেন। আর সেখান থেকেই সন্দেহের নজর এসে পড়ে তার দিকে। জনপ্রিয় রাজনীতিকদের সঙ্গে কিশোরের ওঠাবসা রয়েছে বলেও জানিয়েছে এনডিটিভি।
ইত্তেফাক/এএম
