মূর্তি উদ্ধারে গিয়ে জেলা সিআইডির এসআইসহ আটক ৪

আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ১৭:৫৬
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার রিশিকুল ইউনিয়নে মান্ডইল গ্রামে প্রশাসনকে না জানিয়ে মূর্তি উদ্ধার করতে গিয়ে বাংলাদেশ পুলিশ (সিআইডি টিএইচবি) শাখার রাজশাহী জোনের এসআইসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।
 
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার দিবাগত রাত ৮টার দিকে সিআইডি এমএস মাহাবুব আলী ও তার সঙ্গীরা একটি মাইক্রো ও মোটরসাইকেলে মান্ডইল আস্তা পুকুর গ্রামের জুয়েল হাসদারের বাড়িতে সিআইডি পরিচয় দিয়ে প্রবেশ করেন। জুয়েলের বাড়িতে মূুর্তি এমন অভিযোগে সিআইডির এমএস মাহাবুব আলীর হুকুমে জুয়েল হাঁসদারের মামা শ্বশুর সরকার কিস্কু ও তার ছোট ছেলে রুবেল হাঁসদারকে বেঁধে রেখে কোদাল দিয়ে ঘরের ভিতর খোঁড়াখুড়ি করে। আশপাশের লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে তাদের পরিচয় জানতে চান। এ সময় তাদের কথাবার্তা সন্দেহজনক মনে হলে গ্রামবাসী মসজিদের মাইকে সবাইকে ডাক দেন।
 
বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলামকে টুলুকেও জানানো হয়। পরে গ্রামবাসী কাঁকনহাট পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দিয়ে তাদের ঘিরে রাখে। এ সময় গ্রামবাসী উত্তেজিত হয়ে তাদের মারধর করে এবং তাদের ব্যবহৃত মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলটি ভাঙচুর করে।  
 
আটকরা হলেন, সিআইডি টিএইচবি শাখার রাজশাহী জোনের এসআই এমএস মাহাবুব আলী (৩২),  তার সঙ্গে থাকা ভুয়া সিআইডিরা হলেন, রাজশাহী মহানগরীর কাদিরগঞ্জ মহল্লার শহিদুল ইসলাম (৪৮), বালিয়াপুকুর এলাকার আমিরুল (৫৫) ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ শিবগঞ্জ উপজেলার বিশ্বনাথপুর গ্রামের  আতিকুর রহমান (২৮)।
 
কাঁকনহাট পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক দেওয়ান মো. এনামুল হক ও তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে সিআইডি এমএস মাহাবুব আলী ও ভুয়া পরিচয়ের অপর তিন সিআইডিকে আটক করে গোদাগাড়ী মডেল থানায় হস্তান্তর করে।
 
গোদাগাড়ী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিপজুর আলম মুন্সি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
 
ইত্তেফাক/এএসএমইউ/ইউবি