বাঁশখালীতে হামলায় কলেজছাত্রীসহ আহত ৭, ১০ পরিবার জিম্মি

আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ২০:১৪
বাঁশখালীর মিনজিরিতলায় বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় কলেজ ছাত্রীসহ ৭ জন আহত হয়েছে। গুরুতর আহত কলেজ ছাত্রী কামরুন্নাহার (১৭), জেয়াছমিন আক্তার (১৫), কলি আক্তার (১৬), শাফিয়া খাতুন (৫২), হালিমা বেগম (৫০) ও জাহানারা বেগম (৩৫) কে বাঁশখালী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 
 
গত শুক্রবার বিকেলে সংঘটিত এই হামলার পর স্থানীয় আবদুল মজিদের ছেলে হারুন ও ছাবের আহমদের ছেলে কালুর নেতৃত্বে প্রতিপক্ষের লোকজন ১০ পরিবারকে জিম্মি করে দফায় দফায় হামলা চালিয়ে আসছে। 
 
ওই পরিবারগুলোর স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীদের পযর্ন্ত বিদ্যালয়ে যাওয়া আসায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় সরল ইউনিয়নের মিনজিরিতলা গ্রামে আবদুল মতলব কালু ও হারুনের লোকজনের মাঝে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।
 
জানা গেছে, মিনজিরিতলা গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে আবদুল মতলব কালু, মনসুর, হামিদ আলী ও ফরিদুল আলমের সঙ্গে একই এলাকার মৃত আবদুল মজিদের ছেলে হারুন ও ছাবের আহমদের ছেলে কালুর ১৪ শতক জায়গা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। 
 
গত শুক্রবার হারুন ও কালুর লোকজন বিরোধপুর্ণ জায়গায় জোরপুর্বক চাষাবাদ শুরু করলে আবদুল মতলব কালুর পক্ষের লোকজন তা দেখতে আসে। এসময় হারুনের লোকজন আবদুল মতলবের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। 
 
ঘটনার পর থেকে হারুনের লোকজন প্রতিপক্ষ আবদুল মতলবের লোকজনের ওপর হামলা ও বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে পরিবারগুলোকে জিম্মি করে রেখেছে। 
 
তাদের ভয়ে আবদুল মতলব পক্ষের ১০টি পরিবারের ছেলে মেয়েরা স্কুল-কলেজ ও বিদ্যালয়ে এমনকি পুরুষ সদস্য বাজারেও যেতে পারছে না বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
 
বাঁশখালী থানা পুলিশ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এই বিষয়ে থানায় কেউ অভিযোগ করেনি।
 
ইত্তেফাক/এএন