বাড়িতে ঢুকতেই মা দেখলেন, ছেলে খাচ্ছে নর-মাংস!

আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ১২:৩৭
মা বেরিয়েছিলেন বছর কুড়ি বয়সের ছেলেকে খুঁজতে। প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসা করে করে খোঁজ না পাওয়ায় ‌গেলেন খেলার মাঠে। সেখানেও নেই ছেলে। শেষমেশ খেলার মাঠের ধারে এক পরিত্যক্ত বাড়িতে খুঁজতে গিয়ে জ্ঞান হারানোর মতো অবস্থা হয় মায়ের। দেখেন, ছেলে নাজিম, ৭ বছরের এক শিশুর দেহ টুকরো-টুকরো করে কেটে মাংস খাচ্ছে!
 
এই দৃশ্য দেখে দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় লোকজনদের ডেকে আনেন ওই মা, তারাই পুলিশে খবর দেন।
 
পুলিশ আসতে না আসতেই এই খবর আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। স্থানীয়রা একজোট হয়ে নাজিমকে মারতে উদ্যত হন। তবে পুলিশের বাধায় রক্ষা পায় নাজিম।
 
গ্রেফতারের পরও থানার বাইরে জমায়েত হয়ে স্থানীয়রা দাবি জানান, নাজিমকে তাদের হাতে তুলে দিতে হবে। গত বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের আমারিয়া-য়।
 
পুলিশ জানিয়েছে, মণীশ নামের ওই শিশুটি অন্যান্য বাচ্চাদের সঙ্গে মাঠে খেলছিল। চকোলেট দেওয়ার নাম করে তাকে নাজিম ডেকে নিয়ে যায়।
 
পুলিশ আরও জানিয়েছে, মাঠের পাশের একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে গিয়ে শিশুটিকে প্রথমে খুন করে নাজিম। তারপর ওই শিশুর দেহ টুকরো টুকরো করে কেটে ফেলে।
 
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ডেইলি মেইল জানিয়েছে, নাজিম নেশা করে। তবে তার এই রূপ এর আগে অজানাই ছিল।
 
ইন্ডিয়া ডটকমের খবরে প্রকাশ, বৃহস্পতিবার নাজিমকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে পুলিশি হেফাজতের নেয়ার নির্দেশ দেন। তার বিরুদ্ধে খুন-অপহরণসহ একাধিক মামলা হয়েছে।
 
তদন্তকারী এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ৭ বছরের ওই শিশুটির দেহ মাটিতে শোয়ানো ছিল। মাথা থেকে ধড় আলাদা অবস্থায়। পেটের মাংস খাবলানো। ঘরজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে চাপ চাপ রক্ত। পাশেই বসে ছিল নাজিম।
 
পুলিশের দাবি, তাদেরকে দেখে নিজেই এগিয়ে আসে নাজিম। জেরার মুখে এখনও একটি কথা নাজিমের মুখ থেকে বের করা যায়নি। সে বরাবর চুপ করেই রয়েছে।
 
ইত্তেফাক/মনসুর