ছাত্রলীগের চেইন অব কমান্ড না মানা এবং জুনিয়রদের ভালো ব্যবহার শেখাতে না পারার অভিযোগে এক সাংবাদিকসহ নিজেদের পাঁচজন কর্মীকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্যার এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি হাফিজুর রহমানের গ্রুপের কর্মীরা এই কাজ করেছেন।
যাদের বের করে দেওয়া হয়েছে তারা হলেন: অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘বিবার্তা’ এর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক আশিকুর রহমান লাভলু গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের রনি মিয়া, বাংলা বিভাগের তরিকুল ইসলাম, ইংরেজি বিভাগের বাপ্পী রায়হান এবং উর্দু বিভাগের জুয়েল রানা।
জানা যায়, গত শুক্রবার রাতে ঢাবি মুহসীন হলের এক আবাসিক শিক্ষার্থী ‘টিউশনি’ করাতে যাওয়ার সময় মুহসীন হলের খেলার মাঠে প্রস্রাব করে। এসময় এফ রহমান হল শাখা সভাপতি গ্রুপের প্রথম বর্ষের কর্মীরা প্রস্রাব কেন করল সেটা জিজ্ঞাসা করে। তখন সে বলে, আমার হলের মাঠ প্রস্রাব করেছি তো কি হয়েছে? এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে হাফিজুর রহমান গ্রুপের কর্মীরা তাকে মারধর শুরু করে। এসময় ওই গ্রুপেরই একজন ঢাবি মুহসীন হলের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান সানীকে ফোন দেয়। সানী এসে সবাইকে নিবৃত্ত করেন এবং এফ রহমান হলের সভাপতি হাফিজুর রহমানকে জরুরি প্রস্রাব করায় কেন তার কর্মীরা মারধর করল জিজ্ঞাসা করেন। হাফিজুর রহমান জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন। এরই অংশ হিসেবে শুক্রবার রাতে তাদেরকে বের করে দেওয়া হয়।
এবিষয়ে এক ভুক্তভোগী বলেন, হলের জুনিয়রদের মানার শেখাতে না পারা ও চেইন অব কমান্ড না মানার জন্য তাকে বের করে দিয়েছে ইমিডিয়েট সিনিয়ররা। তারা বলেছে, হল থেকে বের হয়ে যাওয়া রাজনীতি করার জন্য পজিটিভ।
এ বিষয়ে স্যার এ এফ রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি হাফিজুরের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন, হল থেকে বের করে দিয়েছে আবার হলে তুলছে তাহলে তো সমাধান হয়ে গেল।
