মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করায় ক্ষুব্ধরা অনুষ্ঠান বর্জন করেছে। এসময় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে রাজাকার আখ্যায়িত করে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশও করেছে।
অনুষ্ঠান বর্জন হওয়ায় মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানও হয়নি। ঘটনার পর এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। রবিবার টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটেছে।
উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার অধ্যাপক দুর্লভ বিশ্বাস জানান, রবিবার সকালে মির্জাপুর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে অসম্মান ও অসৌজন্যমুলক আচরণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে কোরআন তেলোয়াত করা হয়নি এমনকি কোন মুক্তিযোদ্ধাদের মঞ্চে ডাকা হয়নি। এ সময় অনুষ্ঠানের ঘোষণা মঞ্চে কয়েকজন রাজাকার বসে ছিলেন। এই ঘটনা তাৎক্ষনিক মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে তারা ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠান বর্জন করে চলে যায়। সকাল দশটার দিকে মুক্তিযোদ্ধারা জড়ো হয়ে প্রশাসনকে রাজাকার আখ্যায়িত করে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করে কলেজ রোডের প্রেস ক্লাবের সমানে প্রতিবাদ সমাবেশ করে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত সাদমীন বলেন, মুক্তিযোদ্ধা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। তাদরে অসম্মান করার কোন সুযোগ নেই। কিছু লোকজন স্বাধীনতা দিবসের সুন্দর এমন একটি অনুষ্ঠান বানচাল করার জন্য এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
ইত্তেফাক/জামান
