ঢাকার রমনার বটমূলের আদলে নিউইয়র্কে প্রভাতী বাংলা বর্ষবরণ উৎসবের আয়োজন করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে সাংস্কৃতিক সংগঠন আনন্দধ্বনি ইউএসএ। রমনার বটমূলের ছবি ও একইরকম মঞ্চে শনিবার ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত গান ও কবিতায় নতুন বছরকে স্বাগত জানায় আনন্দধ্বনি ও নিউইয়র্কের জনপ্রিয় শিল্পীরা। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় এবং চমৎকার আবহাওয়ার কারণে শত শত নারী পুরুষ উডসাইডের কুইন্স প্যালেসের এ অনুষ্ঠানে ভিড় জমান। আয়োজকরা তাদের সকালের নাস্তা দিয়ে আপ্যায়ন করেন।
আনন্দধ্বনি পয়লা বৈশাখের এ আয়োজন ছিল এই প্রথম। তবে সাজানো-গোছালো একটি অনুষ্ঠান উপহার দিয়ে নিউইয়র্কের প্রবাসী বাংলাদেশিদের মন কেড়েছে সংগঠনটি। আনন্দধ্বনির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা অর্ঘ্য সারথী সিকদার ইত্তেফাককে বলেন, আমরা এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসে বাংলাদেশের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের সমৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ে আমরা বরণ করেছি বাংলা নতুন বছরকে। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে আরো বড় পরিসরে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে আনন্দধ্বনি।
গার্গী মুখার্জীর অনবদ্য উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে আনন্দধ্বনির অর্ধশতাধিক শিল্পী বাংলাদেশ লোকগীতি, বৈশাখ এবং রবীন্দ্র ও নজরুল সঙ্গীত পরিবেশন করেন। আনন্দধ্বনির শিল্পীরা ছাড়াও নিউইয়র্কের জনপ্রিয় শিল্পীরা গান ও কবিতা পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে একজাঁক শিশুশিল্পীর পরিবেশনা ছিল মনোমুগ্ধকর। বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে শেষ হয় অনুষ্ঠান।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন, নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মো. শামীম আহসানমহ কমিউনিটির বিশিষ্টজনেরা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।
ইত্তেফাক/পাভেল
