স্বাস্থ্য মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বিএনপির নির্দলীয় সরকারের দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, বাংলাদেশের মাটিতে আর কোনো দিন অনির্বাচিত সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না। সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের নাম পরিবর্তন করে এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল নামকরণ ও আইসিইউ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আগামীতে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসলে অবশ্যই এম. আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, এ জন্য শেখ হাসিনার সরকার বার বার দরকার।
স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন, এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের উন্নয়নের জন্য আগামী ৫ বছর ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে কলেজ ও হাসপাতালের সম্প্রসারণ, নার্স ও ইন্টার্ন ডাক্তারদের আবাসন, অডিটোরিয়ামসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, সারা দেশে ৪০ হাজার নার্স ও কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হবে। শিগগিরই ৫ হাজার চিকিত্সক নিয়োগ দেয়া হবে।
এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ চত্বরে আয়োজিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ আ.স.ম ফিরোজ, হুইপ ইকবালুর রহিম, বিএমএর সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দীন, হাসপাতালের পরিচালক ডা. সারওয়ার জাহান, জেলা প্রশাসক মীর খায়রুল আলম, রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. মোজাম্মেল হক, মেডিক্যাল কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. কান্তা রায় রিমি, জেলা বিএমএর সাধারণ সম্পাদক ডা. বি.কে বোস, স্বাধীনতা চিকিত্সক পরিষদের জেলা সভাপতি ডা. শহিদুল ইসলাম খান, এম আব্দুর রহিমের কন্যা ডা. নাদিরা সুলতানা ও নাসিমা সুলতানা এবং মেডিক্যাল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আসিফ শামস। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ ডা. কামরুল আহসান।
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম গতকাল বিকালে সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন। তিনি প্রথমে মেঘাই ও মাইজবাড়িতে পর্যটন কেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেন। পরে কাজিপুর রেস্ট হাউজে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেন। এ সময় পর্যটন কর্পোরেশনের পরিচালক (পরিকল্পনা) শহিদুল আলম, সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক কামরুন নাহার সিদ্দিকা, পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহমেদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী জাকির হোসেন, এল.জি.ই.ডির নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক শাহিন হাসানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ইত্তেফাক/নূহু
