প্রস্তাবিত বাজেটে শুল্ক হার ও অবচয় নির্ধারণের ক্ষেত্রে যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তা রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানিবান্ধব হয়নি বলে মনে করছে বারভিডা।
রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানিকারকদের সংগঠন বারভিডা মনে করছে, অবচয় হার প্রদানের অসঙ্গতির কারণে মধ্যবিত্ত ও উচ্চমধ্যবিত্ত সব শ্রেণীর গাড়িতে ৯০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ৯ লাখ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়বে। রিকন্ডিশন্ড গাড়ি ক্রয়সীমার বাইরে চলে যাবে। এর ফলে নিম্নমানের বিদেশী নতুন গাড়ি আসার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ সমস্যা রোধে অবচয় হারের অসঙ্গতি দূর করা গাড়ির সিসি (সিলিন্ডার ক্যাপাসিটি) হার ১৬শ’ স্থলে ১৫শ’ করার প্রস্তাবও পুরনো গাড়ি আমদানিকারকদের এই সংগঠনটির। ইস্যুটি নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার বারভিডা সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানাবে।
বাজেটে প্রস্তাব অনুযায়ী এক বছর পর্যন্ত পুরনো বা রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানির ক্ষেত্রে অবচয় প্রযোজ্য নয়। এক বছরের অধিক এবং দুই বছর পর্যন্ত ১৫ শতাংশ, এর উপরে তিন বছর পর্যন্ত ২৫ শতাংশ, চার বছর পর্যন্ত ৩৫ শতাংশ, পাঁচ বছর পর্যন্ত ৪০ শতাংশ অবচয় প্রদানের কথা বলা হয়েছে। তবে গাড়ির চেসিস তৈরির সাল ছাড়া এক বছর পর্যন্ত ১৫ শতাংশ অবচয় দেওয়ার দাবি বারভিডার। এক বছরের বেশি এবং দুই বছর পর্যন্ত ২৫ শতাংশ, এর উপরে তিন বছর পর্যন্ত ৩৫ শতাংশ, এর উপরে চার বছর পর্যন্ত ৪০ শতাংশ এবং এর উপরে পাঁচ বছর পর্যন্ত ৪৫ শতাংশ অবচয় দেওয়ার দাবি তাদের।
বারবিডার সভাপতি হাবিব উল্লাহ ডন ইত্তেফাককে বলেন, প্রস্তাবিত অবচয় হারের মাধ্যমে অবচয়ের মূল উদ্দেশ্যকে পদদলিত করা হয়েছে। কোন বিশেষ মহলের স্বার্থ রক্ষায় দুরভিসন্ধিমূলক অবচয় হারের প্রস্তাব করা হয়েছে। বৈষম্যমূলক এ প্রস্তাবের কারণে মূলত তুলনামূলক নিম্নমানের নতুন গাড়ি আমদানির পথ প্রশস্ত করা হয়েছে।
সংগঠনের মহাসচিব মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, দেশের রাজস্ব আদায় তথা অর্থনীতিতে রিকন্ডিশন্ড গাড়ি বিশাল ভূমিকা রাখছে। ভুল নীতির কারণে এ ধরনের গাড়ি আমদানি কমলে তা অর্থনীতির জন্য শুভ হবে না।
ইত্তেফাক/এমআর
