অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়ে অসুস্থ অবস্থায় শুক্রবার রাতে মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪ গার্মেন্টস কর্মী। অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা তাদের কাছে থাকা বেতনের অর্ধলক্ষাধিক টাকা, কাপড় ভর্তি ব্যাগ ও মোবাইল নিয়ে পালিয়ে যায়।
মাগুরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আক্রান্তদের একজন মাগুরার মহম্মদপুরের ছোট জোকা গ্রামের হোসাইন মোল্যা জানান, ঢাকার একটি সোয়েটার গার্মেন্টস থেকে ঈদের ছুটিতে তিনি গ্রামের বাড়িতে আসছিলেন। তিনিসহ মাগুরা সদরের বেরইল-পলিতা গ্রামের রহমান মোল্যা (২৫), একই উপজেলার গঙ্গানন্দপুরের নাজমুল মোল্যা (২৬), ও সত্যবানপুরের আলী আহম্মদ (২৬), আরিচা-দৌলতদিয়া ঘাট পার হয়ে শুক্রবার রাতে একটি লোকাল বাসে ওঠেন। কিছুদূর আসার পরে অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা তাদের কাছে থাকা বেতনের অর্ধলক্ষাধিক টাকা, কাপড় ভর্তি ব্যাগ ও মোবাইল নিয়ে পালিয়ে যায়।
আরিচা ফেরিঘাটে তারা ৪ জনই হকারের কাছ থেকে শশা কিনে খেয়েছিলেন। তাদের ধারণা এই শশার মধ্যেই চেতনানাশক কোন কিছু মেশানো ছিল। যে কারণে বাসে ওঠার পরপরই তারা চেতনা হারান। বাসের সুপারভাইজার তাদেরকে শুক্রবার মধ্যরাতে মাগুরা সদর হাসপাতালের সামনে অজ্ঞান অবস্থায় নামিয়ে দিয়ে যান। সেখান থেকে স্থানীয়রা তাদেরকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন ও শনিবার সকালে তাদের জ্ঞান ফেরে।
এ ব্যাপারে মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইলিয়াস হোসেন জানান, মাগুরা জেলার বাইরে ঘটনাটি ঘটেছে। তবু এ বিষয়ে খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে।
ইত্তেফাক/এমআই
