জয়পুরহাট জেলায় আজ সোমবার যথাযোগ্য মর্যাদা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও শান্তিপুর্ণ পরিবেশে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঈদ জামাত সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিনস্তর বিশিষ্ট্য নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয় প্রতিটি ঈদগাহে।
জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার রশীদুল হাসান জানান, জেলায় এবার ৩ শ ৭৬ টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ঈদের জামাত সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সাদা পোশাকে পুলিশের পাশাপাশি, ডিবি এবং পোশাকধারী পুলিশ দায়িত্ব পালন করে। র্যাবের কয়েকটি বিশেষ টিম টহলের পাশাপাশি মনিটরিং করে প্রতিটি ঈদগাহে। এ ছাড়াও প্রতিটি ঈদগাহে জেলা প্রশাসনের গঠিত স্বেচ্ছাসেবক দলও কাজ করেছে।
জয়পুরহাট কেন্দ্রিয় ঈদগাহে ৫৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি স্বেচ্ছাসেবক দল কাজ করে। এর মধ্যে রয়েছে আনসার সদস্য ১০ জন, রোভার স্কাউট ২০ জন, যুব রেডক্রিসেন্ট ১৫ জন ও স্কাউটস ১০ জন।
সদর উপজেলায় এবার ১২০টি ঈদগাহে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি ঈদ জামাতের জন্য গঠিত ৫ থেকে ১০ সদস্য বিশিষ্ট্য স্বেচ্ছাসেবক দল কাজ করে। ইউনিয়ন পর্যায়ের জামাত গুলোতে সার্বিক দায়িত্ব পালন করেছেন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান।
জেলা শহরের প্রধান প্রধান ঈদ জামাত গুলোর মধ্যে রয়েছে জয়পুরহাট কেন্দ্রিয় ঈদগাহ ময়দান, জয়পুরহাট চিনিকল জামে মসজিদে দু’টি জামাত অনুষ্ঠিত হয়, কালেক্টরেট ঈদগাহ ময়দান, পুলিশ লাইন ঈদগাহ ময়দান, তেঘরবিশা ঈদগাহ ও হাতিল মাঙ্গনীপাড়া ঈদগাহ ময়দান, খনজনপুর ও কাশিয়াবাড়ী ঈদগাহ ময়দান।
ঈদগাহে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার জন্য সাধারণ মুসল্লিদের আহবান জানানো ও দেশের উন্নতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। জেলার পাঁচ উপজেলাতেই শান্তিপুর্ণ পরিবেশে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানান পুলিশ সুপার রশীদুল হাসান। জেলা প্রশাসক মো. মোকাম্মেল হক বাংলোতে বিভিন্ন স্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
ইত্তেফাক/নূহু
