উল্লাপাড়ায় দুইপক্ষে সংঘর্ষ, আহত ২ জনের মৃত্যু

আপডেট : ২৭ জুন ২০১৭, ১১:২৬
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ঈদ-উল ফিতরের নামাজ আদায়ের পর পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ঈদগাঁ মাঠে দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় ২ জন মারা গেছে। এ ঘটনায় আহত ১৫ জনের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দুইজনের মৃত্যু হয়। 
 
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় ঈদের নামাজ শেষে নলসোন্দা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তোফাজ্জল ও মইনুল গ্রুপের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। তখন এক পক্ষ মইনুল গংদের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে ঘর-দরজা ভাংচুরসহ তার ৩৫ মন ধান বোঝাই নৌকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। বিষয়টি উভয় পক্ষ জানতে পেরে দুপুরে লাঠি-সোটা ও ধাড়ালো অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় নলসোন্দা গ্রামের মৃত আ. হাকিমের ছেলে লাল মিয়া (২৭), আলহাজ আব্দুস সামাদের দুই ছেলে আব্দুল মোমিন (৪৮), সবুজ (৩২), শাহিদুল ইসলামের ছেলে সাজেদুল ইসলাম (২০), আব্দুল খালেকের তিন ছেলে খাইরুল ইসলাম (৪০), আখেরুল  (২৩), আব্দুল হালিম (১৬), ময়নুল হকের ছেলে তৌফিকুর, মোকবুলের ছেলে ইব্রাহীম (২৩), মৃত বাবু লালের ছেলে ছানোয়ার (৫০), মৃত মহসিনের ছেলে আমিরুল ইসলাম (৪০) ইসমাইল হোসেনের ছেলে স্বাধীন, মৃত ছোরহাব আলীর ছেলে শহিদুলসহ (৭০) অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। এদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এছাড়া গুরুতর আহত ছানোয়ারকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও খাইরুলকে মুমূর্ষ অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ করা হলে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার ভোর রাতে মারা যায়। 
 
বিষয়টি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাঈদ সরদার নিশ্চিত করে জানান, জামায়াত অধ্যুষিত তোফাজ্জল গংরা এলাকায় জামায়াতের নেতা হওয়ায় আধিপত্য বিস্তার করে নানা বিশৃঙ্খলা করে আসছে। আর এ কারণেই তাদের মধ্যে কিছু দিন পরপরই সংঘর্ষ হচ্ছে। যা এখন মৃত্যু পর্যায়ে গড়িয়েছে। এদিকে এসব ঘটনায় উভয় পক্ষ মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে এসআই পবিত্র কুমার জানান। 
 
ইত্তেফাক/এমআই