ডুমুরিয়া উপজেলার বুড়িভদ্রা নদীর জোয়ারের পানির স্রোতের তোড়ে আটলিয়া ইউনিয়নের মঠ মন্দির সংলগ্ন গ্রাম প্রতিরক্ষা বাঁধটি শনিবার সন্ধ্যায় ভেঙে উত্তর ও দক্ষিণ গোবিন্দকাটি গ্রাম দুটি প্লাবিত হয়েছে। এতে ২শ একর সবজি, পাটসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
এ ছাড়া আমন ধানের বীজতলা পলি মাটিতে তলিয়ে যাওয়ায় আগামী আমন চাষ বিঘ্ন হতে পারে বলে কৃষকরা শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।
এলাকাবাসী জানান, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধটি মেরামতের জন্য স্থানীয় সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য শিখা রাণী বসাকের মাধ্যমে কর্মসংস্থান প্রকল্পের আওতায় (প্রথম পর্যায়ে) কাজ করার জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দপ্তর থেকে ২৪ জন শ্রমিকের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। যার সাইনবোর্ডটি রাস্তার পাশে স্থাপিত রয়েছে। কিন্তু তেমন কোনো দৃশ্যমান কাজ ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধে করা হয়নি। ফলে ২৪ জুন অমাবস্যার গোণে নদীর পানির স্রোতের তোড়ে বাঁধটি ভেঙে যায়। এ ছাড়া বাঁধের সঙ্গে সংলগ্ন কালভার্টটির পলি অপসারণ ও মেরামতের জন্য টিআর প্রকল্প থেকে স্থানীয় ইউপি সদস্য মনিরুজ্জামান রাজুকে পৃথকভাবে ৩০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। টাকা উত্তোলন করা হলেও কাজ হয়েছে কি না তা কেউ জানে না।
সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য বলেন, যথা নিয়মে বাঁধটিতে মাটির কাজ করেছি। তবে ইউপি সদস্য মনিরুজ্জামান রাজু কি করেছেন তা আমার জানা নেই। কৃষকদের যে ক্ষতি হয়েছে তা অপূরণীয়। অবিলম্বে বাঁধটি মেরামত না করলে আগামীতে আরও ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
তবে ইউপি সদস্য মনিরুজ্জামান রাজুর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।
ইত্তেফাক/নূহু
