ওসমানীনগরে এসি লাগানো নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ব্যক্তির মৃত্যু

আপডেট : ০৫ জুলাই ২০১৭, ১৩:৪৮
সিলেটের ওসমানীনগরে মসজিদে এসি লাগানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত সৈয়দ হিরা মিয়া (৫৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি উপজেলার উমরপুর ইউনিয়নের সৈয়দ মান্দারুকা গ্রামের সৈয়দ মনোহর আলীর ছেলে। সংঘর্ষের ঘটনার ২৪দিন পর মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে সিলেট শহরের একটি প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় তিনি মারা যান বলে পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। 
 
খবর পেয়ে সিলেট কোতোয়ালী থানা পুলিশ ও সংঘর্ষের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসমানীনগর থানার এসআই অনুজ কুমার হাসপাতালে গিয়ে লাশের সুরতাল রির্পোট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। 
 
জানা গেছে, গত ১০ জুন  ইফতারের পরে উপজেলার উমরপুর ইউনিয়নের সৈয়দ মান্দারুকা গ্রামের জামে মসজিদে শীতাতপ নিয়ন্ত্রক যন্ত্র (এসি) লাগানোকে কেন্দ্র করে গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এতে সৈয়দ হিরা মিয়াসহ উভয় পক্ষের ১৫ জন আহত হন। এই ঘটনায় সৈয়দ হিরা মিয়ার ভাই সৈয়দ মতিন মিয়া বাদী হয়ে একই গ্রামের আব্দুল হামিদ, আব্দুল লতিব, হুমায়ুন আহমদ, সুরজান আহমদ ও হারুন আলীসহ ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে গত ১৩ জুন ওসমানীনগর থানায় মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে ৬জন জামিনে রয়েছেন। একই ঘটনায় গ্রামের নোমান রুশিদ বাদী হয়ে নিহত হিরা মিয়ার পক্ষের ২৮ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় পাল্টা মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় এজাহারভুক্তদের মধ্যেও ২০ জন বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। 
 
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসমানীনগর থানার এসআই অনুজ কুমার দাশ আহত সৈয়দ হিরা মিয়ার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে দায়েরকৃত মামলায় হত্যার বিষয়টি উল্লেখ করে আদালতে দ্রুত প্রতিবেদন প্রেরণ করা হচ্ছে।    
 
ইত্তেফাক/এমআই