উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বগুড়ার ধুনট ও সারিয়াকান্দি উপজেলায় যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার যথাক্রমে ১৬ ও ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে উভয় উপজেলার প্রায় সাত হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। দেখা দিয়েছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। পানিবন্দি লোকজন বসতবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে অন্যত্র আশ্রয় নিচ্ছে। অনেক পরিবার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে। পানি বৃদ্ধির কারণে নিম্নাঞ্চলের এক হাজার ৭৬৫ হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে গেছে।
বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সহকারী প্রকৌশলী হারুনর রশিদ জানান, গত কয়েক দিন ধরে যমুনা নদীর পানি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৮ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে শনিবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত শহড়াবাড়ি ঘাট পয়েন্টে বিপদসীমার ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে যমুনা নদীর পানি বিপদ সীমার ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে ছয়টি ইউনিয়নের শতাধিক গ্রাম এবং ১৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন করে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। ইতিমধ্যে ৫হাজার পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। পানিবন্দি লোকজন বসতবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে অন্যত্র আশ্রয় নিচ্ছে। পানি বৃদ্ধির কারণে নিম্নাঞ্চলের এক হাজার ৭৬৫ হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে গেছে।
সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, বন্যার্তদের জন্য জেলা প্রশাসক ৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করেছেন। আরও তিনশ' মেট্রিকটন চাল ও শুকনো খাবারের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগে আবেদন করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/জামান
