রাইস মিলের ছাই ফেলে খাল ভরাট করে ঘর উঠিয়ে দখল করে নেওয়ায় একদিকে পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হচ্ছে, অপরদিকে পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। তাছাড়া ছাই উড়ে গিয়ে পাশের বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী ও পথচারীদের অসহনীয় দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। চৌমুহনী শহরের ৪ কিলোমিটার পূর্বদিকে সেতুভাঙ্গা নামক স্থানে ঘটনাটি ঘটছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ ও স্থানীয়ভাবে দেখা যায়, চৌমুহনী-ফেনী সড়কের পাশ দিয়ে চৌমুহনী তুলাতলী খাল প্রবাহিত হচ্ছে। এ খাল দিয়ে বেগমগঞ্জের পূর্বাঞ্চলের ও সেনবাগের পানি নিষ্কাশিত হয়। চৌমুহনী শহরের পূর্বদিকে চৌমুহনী-ফেনী সড়কের শূরের পোল থেকে জমিদার হাট পর্যন্ত স্থানে বেশ কয়েকটি রাইস মিল রয়েছে। রাইস মিলগুলোর ছাই এনে খালে ফেলার ফলে ক্রমশ খাল ভরাট হয়ে যাচ্ছে। সেতুভাঙ্গা এলাকায় খালের উত্তর পাড়ে রাইস মিলের ছাই ফেলে খাল ভরাট করে ঘর উঠিয়ে দখল করে নিয়েছে। এতে পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হচ্ছে। এ ছাড়া পরিবেশেরও মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। তাছাড়া সেতুভাঙ্গা বাজারের দক্ষিণ পাশে স্থানীয় একটি সমবায় সমিতির মালিকীয় জলাশয়েও ছাই ফেলার কারণে ছাই উড়ে পাশের বিদ্যালয়ের ভিতর প্রবেশ করায় ছাত্রছাত্রীদের শ্বাসকষ্টসহ স্বাস্থ্যহানী হচ্ছে। অপরদিকে ছাইয়ের কারণে পথচারীদেরও বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া একই খালের জমিদারহাটের পশ্চিমে বড়পোল নামক স্থানে ৭০-৮০ ফুট চওড়া খালের দুই পাশ থেকে ভরাট করে একাধিক স্থানে মাঝখানে ৭-৮ ফুট কালভার্ট তৈরি করে ব্রিকফিল্ডের জন্য রাস্তা তৈরি করায় পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হচ্ছে। এতে বেগমগঞ্জে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে আসছে। ব্যাপারটির প্রতি কারো কোনো দায়িত্ব রয়েছে বলে মনে হচ্ছে না।
ইত্তেফাক/নূহু
