রৌমারী ও রাজিবপুরে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি

আপডেট : ১২ জুলাই ২০১৭, ১৪:৪৮
 
কুড়িগ্রামের রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অরো অবনতি হওয়ায় দুই উপজেলার এক লাখ মানুন পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। 
 
বুধবার সরে জমিনে দেখা যায়, রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা, চরশৌলমারী, বন্দবেড়, যাদুরচর ও রৌমারী সদর ইউনিনের ৬০টি গ্রামের ৭০হাজার মানুষ ও রাজিবপুর উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের ৩২টি গ্রামের ৩০হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ায় তারা রান্না করে খাবার খেতে না পাড়ায় শুকনা খাবারের জন্য হাহাকার অবস্থায় পড়েছে। পানির চাপে রৌমারীর সাহেবের আলগা ও রাজিবপুরের কোদালকাটি নামক দুইটি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙ্গে এ দুই উপজেলার আরো নতুন নতুন গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে।
 
পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের চিলমারী পয়েন্টে ২৪.৩২ সেন্টিমিটার পানি  বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার উপর প্রবাহিত হচ্ছে। 
 
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, সংশ্লিষ্ট দফতরের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা দুই উপজেলার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বেশকিছু এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।
 
রৌমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ফাউজুল কবীর (অ. দ.) জানান, বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে, রৌমারী উপজেলার ১৫টন ১৫শ’ ও রাজিবপুর উপজেলায় ১০টন, এক হাজার বন্যা পানিবন্দি পরিবারের মাঝে জিআর এর চাউল বিতরণ করা হয়েছে।
 
রৌমারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমান বঙ্গবাসী বলেন, বন্যায় পানিবন্দি মানুষের সংখ্যা অনুযায়ী বরাদ্দ না থাকায় পানিবন্দি পরিবারের মাঝে ত্রাণ সরবারহ করা সম্ভব হচ্ছে না। এ পর্যন্ত ৩০টন জি আর চাউল বরাদ্দ পেয়েছি। ১৫টন বিতরণ করা হয়েছে। ১৫টন বাকি আছে।
 
ইত্তেফাক/কেকে