লিউ জিয়াবোর শবদাহ সম্পন্ন, দেহভস্ম সাগরে বিসর্জন

আপডেট : ১৫ জুলাই ২০১৭, ১৮:২১
চীনের গণতন্ত্রপন্থি মানবাধিকার কর্মী লিউ জিয়াবোর শবদাহ সম্পন্ন হয়েছে। চীনের শেনইয়াংয়ে নোবেলজয়ী এই লেখকের মৃতদেহ সৎকারের পরে ছাই সমুদ্রে বিসর্জন করা হয়।
 
সরকার বিরোধিতার জন্য ১১ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয় ১৯৮৯ সালের তিয়েনআনমেন স্কয়ার আন্দোলনের এই কর্মীকে। লিভার ক্যান্সারের কারণে এক মাস আগে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানেই ৬১ বছর বয়সে মারা যান জিয়াবো। তার স্ত্রী লিউ জিয়া ২০১০ সালের পর থেকে গৃহবন্দী রয়েছেন, কিন্তু শনিবারের শেষকৃত্যে যোগ দিয়েছেন।
 
একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, লিউ জিয়াবোর মৃতদেহ স্থানীয় প্রচলিত প্রথা ও পরিবারের ইচ্ছানুযায়ী সৎকার করা হয়েছে। শেষকৃত্যানুষ্ঠানে মোৎসার্টের রিকুয়েম সিম্ফোনি বাজানো হয়। স্থানীয় কর্মকর্তাদের শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, সাদা ক্রিসেনথেমাস ফুলে আচ্ছাদিত কফিনের পাশে জিয়াবোর স্ত্রী ও অন্যান্য ব্যক্তিরা দাঁড়িয়ে আছেন। 
 
চীনের ওই কর্মকর্তা বলেন, আমার বিশ্বাস লিউ জিয়াকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। তবে লিউ জিয়াবোর আইনজীবী জ্যারেড গেনসার এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে লিউ জিয়াকে কারো সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেয়া হচ্ছে না। একটি বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিশ্বের উচিত খুব তাড়াতাড়ি তাকে ‍উদ্ধার করে। শুক্রবার নোবেল প্রাইজ কমিটি লিউ জিয়ার ব্যাপারে আশঙ্কা প্রকাশ করে চীনের প্রতি তাকে মুক্তি দেয়ার আহ্বান জানায়।
 
২০১০ সালে অহিংস মানবাধিকার সংগ্রামের জন্য শান্তিতে নোবেল পান লিউ জিয়াবো। বিবিসি।
 
ইত্তেফাক/সাব্বির