কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলায় যৌতুক দিতে না পারায় সুমি আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধূকে নির্যাতন করে হত্যা করার অভিযোগে স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার বিকেলে সুমির বড় ভাই আলমাজ মিয়া বাদী হয়ে স্বামীসহ অজ্ঞাতনামা তিনজনকে আসামি করে মুরাদনগর একটি হত্যার মামলা দায়ের করেন। পুলিশ স্বামী আনিসুর রহমানকে (২৮) সোমবার সন্ধ্যায় গ্রেফতার করে মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লা আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠায়।
মুরাদনগর উপজেলার ধামঘর ইউনিয়নের রায়তলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত স্বামী ওই গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।
মুরাদনগর থানার ওসি এসএম বদিউজ্জামান বলেন, ‘সংবাদ পাওয়ার পর এসআই দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সরকারি হাসপাতালে পাঠাই। সূরতহালপূর্বক ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়।ওইখান থেকেই স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হলে তারা মাদারীপুর নিয়ে যায়। তবে নিহতের শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলেই নিশ্চিত হওয়া যাবে তাকে কীভাবে হত্যা করা হয়েছে। ধৃত ঘাতক আনিসুর রহমানকে আজ আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লার কেন্দ্রিয় কারাগারে পাঠানো হবে। পুলিশ সুমি আক্তার হত্যার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।’
ইত্তেফাক/কেকে
