চৌহালিতে ঠেকানো যাচ্ছে না বাঁধ ধস

আপডেট : ২২ জুলাই ২০১৭, ১৯:০৮
 
সিরাজগঞ্জের চৌহালিতে শত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত নদী তীর রক্ষা বাঁধের ধস কোন ভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না। পানি কমার সাথে সাথে আবারো ধস নেমেছে।
 
এ নিয়ে ওই বাঁধে আটবার ধস নামলো তারমধ্যে শুধু জুলাই মাসেই ছয়বার। ফলে বাঁধ এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। সর্বশেষ গত শুক্রবার রাতে  ধস নামে।এ নিয়ে সাত কিলোমিটার বাধে প্রায় সাড়ে পাঁচশ' মিটার নদী গর্ভে বিলীন হলো। আতঙ্কে বাঁধ এলাকার অসহায় মানুষ গুলো তাদের বাড়ি-ঘর অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে।
 
জানা গেছে, ২০১৫ সালে ১০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে সাত কিলোমিটার দীর্ঘ নদী তীর রক্ষা বাধের কাজ শুরু করে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড। বাঁধ নির্মাণ হওয়ায় আশায় বুক বেঁধেছিল এখানকার অসহায় মানুষ গুলো। কিন্তু প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে বাধে ধস এদের আশা হতাশায় পরিণত হয়েছে। সর্বশেষ শুক্রবার রাতে ৩৫ মিটার এলাকা জুড়ে ধস নামে। ভাঙনের মুখে পড়েছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পাঁচটি শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান সহ বেশ কিছু স্থাপনা। ভাঙন কবলিত এলাকার হবিবুর রহমান, আব্দুল জলির, আয়েশা খাতুন  জানান নদী ভাঙনে জমি-জমা সবই গেছে। এখন থাকার কোন জায়গা না থাকায় ভেঙে এক জায়গায় রেখে দেয়া হয়েছে। সুবিধা মত জায়গা পেলে সেখানে যাবেন।
 
চৌহালি উপজেলা চেয়ারম্যান মেজর (অব.) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, যমুনার পানির তীব্র স্রোতের কারণে ধস দেখা দিয়েছে। টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহজাহান সিরাজ জানান, পানির নীচে বাঁধের লাঞ্চিং পয়েন্ট থেকে অন্তত ১৭ মিটার পানির গভীরতা বেশি হয়ে গেছে যে কারণে বক্ল গুলো নীচের দিকে চলে যাচ্ছে। এ কারণে ধস দেখা দিচ্ছে। এক্ষেত্রে আমাদের কিছু করার নেই। তারপরও জিওব্যাগ ফেলা হচ্ছে ভাঙন রোধের জন্য।
 
ইত্তেফাক/জামান