নাগেশ্বরীতে ভাঙছে নদী, নিঃস্ব দুই শতাধিক পরিবার

আপডেট : ২২ জুলাই ২০১৭, ২১:৪৩
 
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে বানের পানি কমার সাথে সাথে প্রায় সবগুলো নদীতে দেখা দিয়েছে ভাঙন। বন্যা পরবর্তী দুই সপ্তাহে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে অনেক আবাদি জমি, বাগান, বাঁশঝাড়, পাটক্ষেত, স্থায়ী স্থাপনা ও উপাসনালয়। ঘর-বাড়ী হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে প্রায় দুই শতাধিক পরিবার।
 
উপজেলার দুধকুমার, ব্রহ্মপুত্র, গঙ্গাধরে পানি কমে তীব্র স্রোত আঘাত হানছে কিনারায়। তীরবর্তী এলাকায় প্রতিদিন নতুন করে ফাটল দেখা দিয়ে তা পর মুহূর্তেই ধসে যাচ্ছে। ভুক্তভোগীরা ঘর-বাড়ি, গাছ কেটে সরিয়ে ফেলার আগেই তা গিলে খাচ্ছে নদী।
 
ব্রহ্মপুত্র তাণ্ডব চালাচ্ছে নারায়নপুরের আইরমারী, কন্যামতি, শিয়ালদহ, পদ্মার-চর, কালার চর, কুলামুয়া মাঝিয়ালী, ঝাউকুটি, বালাহাট, নুনখাওয়ার কাপনা, চরকাপনা, পাটতলা, ব্যাপারীর চর, বোয়ালমারী, উত্তর সারিসুরি, দক্ষিণ সারিসুরি, চরনুনখাওয়া গ্রামে।
 
দুধকুমার ভাঙছে কালীগঞ্জের শালমারা, বেরুবাড়ীর খেলারভিটা, কুমরিয়ারপাড়, বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের পাঁচমাথা, রায়গঞ্জের বড়বাড়ি ও দামাল গ্রাম।গঙ্গাধরের ভাঙনে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে বল্লভেরখাস ইউনিয়নের সম্পূর্ণ মাঝিপাড়া গ্রাম। নদী গর্ভে গেছে এ গ্রামের শতাধিক পরিবারের বসতভিটা, স্থায়ী স্থাপনা ও উপাসনালয়। সর্বস্ব হারানো এ মানুষগুলোর দিন কাটছে অর্ধাহারে-অনাহারে। হুমকির মুখে রঘুরভিটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। নদীগুলোর ভাঙনে বন্যা পরবর্তী গত দুই সপ্তাহে বিলীন হয়ে গেছে এসব এলাকার অনেক আবাদি জমি, বাগান, বাঁশঝাড়, পাটক্ষেত। ঘর-বাড়ী হরিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে প্রায় দুই শতাধিক পরিবার।
 
ইত্তেফাক/জামান