ভাঙনের কবলে সড়ক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বসতবাড়ি

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০১৭, ০৩:১৩


মুলাদী আড়িয়াল খাঁ ও ছৈলা নদীর ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে জিসি আর রাস্তা ও দুইটি গ্রাম। উপজেলার পশ্চিম তেরচর গ্রামের ও নাজিরপুর ইউনিয়নের পাঁচটি গ্রামের মধ্য দিয়ে প্রায় ১৫ কোটি টাকার কার্পেটিং রাস্তার প্রায় তিন এর এক অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এ ছাড়া ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে চারটি ব্রিজ, তিনটি কালভার্ট, দুইটি স্কুল, একটি বাজার ও পুরানো পরিচিত একটি মীর কুতুব শাহ-এর মাজার। ঐ স্কুল দুটিতে প্রায় আট শতাধিক কোমলমতি শিক্ষার্থী ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষাগ্রহণ করছে।

স্থানীয়রা জানান, পশ্চিম তেরচর, কুতুবপুর ও পাতারচর এবং ভাংগারমোনা গ্রাম এ নদীতে ভেঙে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পশ্চিম তেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভাংগারমোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কমিউনিটি ক্লিনিক, ঈদগাহ ময়দান রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। ইতোমধ্যে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

ইতোমধ্যে রাস্তার পূর্ব পাশের একটি গ্রাম বিলীন হয়ে গেছে। রাস্তা রক্ষার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডে দরখাস্ত দিয়ে মানববন্ধন থেকে শুরু করে একাধিক বার লেখালেখি হয়েছে।

উপজেলা প্রকৌশলী প্রবীর কুমার পাল জানান, স্কুল স্থানান্তরের ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে গ্রাম ও স্কুল রক্ষা করা যাবে না।

ইত্তেফাক/নূহু