সাঁথিয়ায় ব্রিজের সঙ্গে বাঁশের মাচাল, জনদুর্ভোগ চরমে

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০১৭, ১১:৫০
পাবনার সাঁথিয়ায় নব নির্মিত ব্রিজের সংযোগ সড়কে মাটি ভরাট না করে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের চূড়ান্ত বিল উত্তোলনের পাঁয়তারার অভিযোগ উঠেছে। সংযোগ সড়ক না থাকায় বাঁশের মাচাল তৈরি করে স্থানীয়দের পারাপার করতে হচ্ছে। রাস্তা ভেঙ্গে ব্রিজ করায় জনদুর্ভোগ চরমে উঠেছে। 
 
উপজেলার আর. আতাইকুলা ইউনিয়নের কাজিপুর গ্রামের হারুন মৃধার বাড়ির নিকট খালের উপর ৪০ ফুট ব্রিজ নির্মাণে ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর কর্তৃক সেতু-কালভার্ট কর্মসূচি অংশ হিসেবে ৩০ লাখ ৯০ হাজার ২০ টাকা বরাদ্ধ দেওয়া হয়।
 
সাইফুল ইসলাম নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ব্রিজটির নির্মাণ কাজ পান। যার সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে ছিলেন সাঁথিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আবুল কালাম আজাদ। ব্রিজ নির্মাণ কাজ শেষ হলেও দুই পারে সংযোগ সড়কে মাটি ভরাট না করেই পিআইও’এর যোগসাজেশে চূড়ান্ত বিল উত্তোলনের পাঁয়তারার অভিযোগ রয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।
 
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ব্রিজের পূর্ব পারে পাকা রাস্তা ভেঙ্গে ব্রিজ নির্মাণ করে কাজ শুরু করা হয়। পাকা রাস্তাসহ ব্রিজের দু-পারে সংযোগ সড়কে মাটি ভরাট না করলে স্থানীয়রা নিজেদের অর্থ ও সেচ্ছাশ্রমে ব্রিজের পশ্চিম পারে কিছু মাটি ও পূর্ব পারে বাঁশের মাচাল তৈরি করে চলাচল করছে। 
 
কাজিপুর গ্রামের আ. জলিল, শাহেদ আলী, জহির উদ্দিনসহ অনেকে এ প্রতিবেদককে জানান, আমাদের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য সরকারিভাবে ব্রিজ নির্মাণ হয়। কিন্তু এখানে পাকা রাস্তা ভেঙ্গে ব্রিজ করে এবং সেই ব্রিজের দু-পারে মাটি না দেয়ায় দুর্ভোগ বেড়ে চরমে পৌঁছেছে। তারা অভিযোগ করে আরও বলেন, কাজ চলার সময় ও কাজ শেষে পিআইওকে বার বার বলেও কোন কাজ হয়নি।
 
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আবুল কালাম আজাদ বলেন, কাজ শেষ হয়নি বিধায় ফাইনাল বিল দেওয়া হয়নি। তবে অর্থবছর শেষ হলেও, কবে কাজ শেষ হবে তা তিনি বলেননি।   
 
সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহাঙ্গীর আলম জানান, ব্রিজটির কথা শুনেছি, কাজ শেষ না করলে বিল দেয়া হবে না।
 
ইত্তেফাক/এমআই