জেলার বান্দরবান-রুমা সড়কের ২৬ কিমি দুরে দৌলিয়ান পাড়া এলাকায় রবিবার সকালে পাহাড়ধসে নিখোঁজ থাকা ব্যক্তিদের উদ্ধারে সোমবার সকাল থেকে ফের অভিযান শুরু হয়েছে। সেনা সদস্য, পুলিশ, দমকল বাহিনীর সদস্যরা বিশেষ ব্যবস্থায় নিখোঁজদের উদ্ধারে প্রায় ৪০০ ফুট লম্বা মোটা রশিসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ব্যবহার করছেন। পাহাড়ি ঢলের পানি ও মাটির তোড়ে গভীর খাদে পড়ে যাওয়া তিনজনকে জীবিত অবস্থায়(আহত) রবিবারই উদ্ধার করা গেলেও সেখান থেকে চিংমে হ্লা মারমা (২০) নামে এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করা হয়। একই সংগে মাটি চাপায় নিখোঁজ রুমা উপজেলার স্বাস্থ্য সহকারী মুন্নি বড়ুয়া (২৫), রুমা উপজেলা পোষ্ট মাষ্টার জাবিউল আলম (৪৫), রুমা কৃষি ব্যাংক কর্মচারী গৌতম নন্দী (৪০) এবং গৃহবধূ চিংমে মারমাকে (৩০) উদ্ধারের জন্যে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তবে রবিবার রাতে রুমা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংথোয়াইচিং মারমা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ওই এলাকায় হেঁটে পারাপারের সময় পাহাড়ধসের মাটি চাপায় এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ওই চারজনসহ মোট ৭জন যাত্রী। তিনজন যাত্রী শ্রমিক এবং অজ্ঞাতনামা বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সড়কের নির্মাণ কাজের কারণে ওই স্থান পারাপারে নিষেধাজ্ঞা স্বত্বেও তা অমান্য করেই বাসযাত্রীরা হেঁটে অপর পাড়ে যাবার সময় পাহাড়ধসের শিকার হন। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন থেকে পাহাড়ধসের ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে বলে সোমবার সকালে সরকারি সূত্র জানিয়েছে।
ইত্তেফাক/এমআর
