সখীপুরে পাকা না করায় সড়কে ধানের চারা রোপন!

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০১৭, ১০:১৭
টাঙ্গাইলের সখীপুরের জনবহুল এলাকার একটি সড়ক পাকা না করায় সেখানে ধানের চারা রোপন করে প্রতিবাদ জানিয়েছে এলাকাবাসী। ‘কচুয়া-সাড়াশিয়া-বাসারচালা-মহানন্দপুর’ সড়কটি দীর্ঘদিনেও পাকা না হওয়ায় বুধবার সকালে এলাকাবাসী ধানের চারা লাগিয়ে এ প্রতিবাদ জানান।
 
এলাকাবাসী জানান, বর্ষাকাল এলেই কাঁচা এই সড়কে হাঁটু পরিমাণ কাদা হয়ে চলাচলের একেবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এ সড়ক দিয়ে উপজেলার কচুয়া, সাড়াশিয়া, বাসারচালা, মহানন্দপুর, ভন্ডেশ্বর পাড়া, রামখা পাড়া, কামন্না পাড়া, বেপারী পাড়াসহ ৮-১০টি গ্রাম, কচুয়া হাইস্কুল, কচুয়া প্রাইমারি স্কুল, সাড়াশিয়া-বাসারচালা হাইস্কুল, সাড়াশিয়া প্রাইমারি স্কুল, মহানন্দপুর হাইস্কুল, মহানন্দপুর প্রাইমারি স্কুল, সানস্টার বিএম কলেজ ও কিন্ডার গার্টেনসহ ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, দুইটি কমিউনিটি ক্লিনিক ও পাঁচটি হাট-বাজারের লোকজন চলাচল করে থাকেন। সড়কজুড়ে থকথকে কাদা থাকায় গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দীর্ঘদিনেও পাকা না করায় গ্রামবাসীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ধানের চারা রোপন করেন। 
 
গ্রামবাসী বন্দে আলী মিয়া, নিজাম উদ্দিন, ইদ্রিছ আলী বলেন, প্রায় পাঁচ কিলোমিটারের সড়কে বর্ষাকালে একেবারেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। তারা বলেন, এক দেড় যুগ ধরে শুনতেছি রাস্তা পাকা হবে। কবে আর হবে জানিনা। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদেরও একই ধরণের বক্তব্য। এ অঞ্চলটি উপজেলার মধ্যে আদা, হলুদ, কচু, বেগুনসহ শাক-সবজি উৎপাদন হয়ে থাকে বেশি। উৎপাদিত পণ্য নিয়ে সড়কে যাতায়াতকালে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় কৃষকদের। স্থানীয় কালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এসএম কামরুল হাসানকে বর্ষাকালে সাময়িক চলাচলের জন্য সড়কের বড় গর্তগুলোতে ভরাটের দাবি জানালেও তিনি কোনো দৃষ্টি দেননি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করছে এলাকাবাসী। 
 
উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফাহাদ কুদ্দুছ জানান, সড়কটি পাকাকরণের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই টেন্ডারের আওতায় আসবে সড়কটি।
 
ইত্তেফাক/এমআই