জাতিগত নিধন

কঙ্গোতে তিন মাসে শিশুসহ ২৫০ জন নিহত

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০১৭, ২১:১০
ডিআর কঙ্গোয় জাতিগত নিধনযজ্ঞের শিকার হয়ে গত মার্চের মাঝামাঝি থেকে মধ্য জুন পর্যন্ত কমপক্ষে ২৫০ মানুষ নিহত হয়েছে। জাতিসংঘের পক্ষ থেকে হতাহতের এই সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়েছে। এক বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলা এবং সরকারপন্থী গোষ্ঠীর অভিযানে ওই মানুষেরা প্রাণ হারায়। নিহতদের মধ্যে ৬২ শিশু রয়েছে। 
 
জাতিসংঘের ওএইচসিআর এর মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার জেইদ রা’দ আল-হুসেইন এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন তৈরি করেছেন। প্রাণ বাঁচাতে কঙ্গোর কাসাই প্রদেশ থেকে প্রতিবেশী দেশ অ্যাঙ্গোলায় পালিয়ে যাওয়া শরণার্থীদের  দেওয়া সাক্ষ্যের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, গত মার্চ থেকে মধ্য জুনের মধ্যে মূলত সশস্ত্র মিলিশিয়া গোষ্ঠী ‘কামুইনা সাপুমিলিশিয়া’র হামলায় এসব হতভাগ্য মানুষের বেশিরভাগ নিহত হয়।
 
এছাড়া, বিদ্রোহীদের দমনের জন্য গঠিত সরকারপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠী বানা মুরার হাতেও কিছু মানুষ নিহত হয়েছে। জাতিসংঘ ধারণা করছে, কঙ্গোর কাসাই এলাকায় অন্তত ৮০টি গণকবর রয়েছে। কঙ্গোর গৃহযুদ্ধের কারণে অন্তত ১৩ লাখ মানুষ অভ্যন্তরীণভাবে শরণার্থীতে পরিণত হয়েছে। 
 
এছাড়া, ৪০ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রতিবেশী দেশ অ্যাঙ্গোলায় পালিয়ে গেছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কমিশনার তার প্রতিবেদনে এ ধরনের জাতি নিধনের ঘটনা যেন আর না ঘটে সে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কঙ্গো সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে অস্ত্র ত্যাগ করে শান্তির প্রতি ফিরে আসারও আহ্বান জানান। চলতি বছরের মার্চ মাসে গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গোতে পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে অন্তত ৪০ জনের শিরেেñদ করে বিদ্রোহী সেনারা। 
 
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, পুলিশের একটি বহরে হামলা চালায় কামউইনা সাপু বিদ্রোহীরা। গত বছরের আগস্টে কাসাইয়ে বিদ্রোহী গ্রুপটির নেতাকে নিরাপত্তা বাহিনী হত্যা করার পর পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। আল জাজিরা। 
 
ইত্তেফাক/সাব্বির