ভার্জিনিয়ায় বিক্ষোভকারীদের দু’পক্ষকেই দুষছেন ট্রাম্প

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০১৭, ০৯:৪১
দাস প্রথার সাক্ষ্য বহনকারী ভাস্কর্য অপসারণ নিয়ে গত কয়েকদিনের তীব্র বিক্ষোভ ও সহিংসতার জন্য ভার্জিনিয়ার উভয় পক্ষকেই দোষ দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে গত সোমবার এক বিবৃতিতে তিনি উগ্র শ্বেতাঙ্গদের নিন্দা জানিয়েছেন। 
 
কিন্তু ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানাচ্ছে, মঙ্গলবার নিউইয়র্ক থেকে দেয়া অপর এক বিবৃতিতে ট্রাম্প ‘অল্ট রাইট’ চার্জিংয়ের জন্য বামপন্থী সমর্থকদের দায়ী করেন। এসময় তিনি নিজের পক্ষে সাফাই গেয়ে বলেন, ‘আমি সবকিছু পর্যবেক্ষণ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছি।’
IMG0
তবে এর আগে, দেশটির অঙ্গরাজ্য নর্থ ক্যারোলিনায় কনফেডারেট স্ট্যাচু ভেঙে ফেলেছে বিক্ষোভকারীরা। মঙ্গলবার ভার্জিনিয়ার চার্লোটেসভিলের শ্বেতাঙ্গবিরোধী বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সহমর্মিতা প্রকাশ করেন নর্থ ক্যারোলিনার বিক্ষোভকারীরা। দাস প্রথার পক্ষের এসব সেনাদের ভাস্কর্য অপসারণের পরিকল্পনা করছেন বিভিন্ন শহরের মেয়ররা।
IMG1
কেনটাকি অঙ্গরাজ্যের বাল্টিমুর এবং লেক্সিংটনের মেয়ররা জানিয়েছেন, প্রকাশ্য স্থান থেকে তারা অপসারণের পরিকল্পনা করছেন। দেশটিতে গৃহযুদ্ধের সময় দাস প্রথার পক্ষের এসব সেনাদের ভাস্কর্য ঐতিহ্যের নাকি ঘৃণার প্রতীক তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। মেমফিস, টেনেসিস এবং ফ্লোরিডার জ্যাকসনভিলের মেয়ররা জানিয়েছেন, তারা এসব কনফেডারেট ভাস্কর্য সরিয়ে ফেলার চিন্তা করছেন।
IMG2
উগ্র শ্বেতাঙ্গদের বিরুদ্ধে প্রথম দিন কড়া প্রতিক্রিয়া না জানানোর কারণে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আমেরিকান ম্যানুফ্যাকচারিং কাউন্সিল থেকে পদত্যাগ করেছেন চারটি বড় গ্রুপের প্রধান চারজন নির্বাহী কর্মকর্তা। তারা হলেন, ইন্টেল কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্রায়ান ক্রানিচ, মেরক অ্যান্ড কো ইনকর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কেনেথ ফ্রাজার, আন্ডার আর্মার কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কেভিন প্লাংক এবং আমেরিকান ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যালায়েন্সের প্রধান স্কট পল।
IMG3
শ্রমিক ইউনিয়নের একটি সংগঠন এএফএল-সিআইও জানিয়েছে, ওই কমিটিতে থাকা তাদের প্রতিনিধিদেরও তারা প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনা করছে। তারা এক কোটি ২৫ লাখ শ্রমিকের প্রতিনিধিত্ব করে। বিবিসি, রয়টার্স ও সিএনএন।
 
ইত্তেফাক/সেতু