কুবির সেই শিক্ষককে বাধ্যতামূলক ছুটি

আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০১৭, ০৯:১১
 
জাতীয় শোক দিবসে ক্লাস নেওয়ার অভিযোগে শাখা ছাত্রলীগের দাবির প্রেক্ষিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি মাহবুবুল হক ভূঁইয়াকে এক মাসের বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সেই সাথে ঘটনা তদন্তে ৪ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
 
শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ সিদ্ধান্ত এক পাক্ষিক দাবি করে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে শিক্ষক সমিতি। শিক্ষককে অন্যায়ভাবে ব্যক্তিগত ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে উপাচার্য এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দাবি করে বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টা থেকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষক সমিতি ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতৃবৃন্দ অবস্থান নেন। এ সময় উপাচার্য কার্যালয় থেকে বাসভবনে যাওয়ার জন্য জীপে উঠলে ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের জন্য শিক্ষক নেতারা উপাচার্যের জীপ ঘিরে ধরেন। রাত ৯টার দিকে উপাচার্য জীপ থেকে নেমে হেঁটে বাসভবনে চলে যান। এ সময় উপাচার্য একজন শিক্ষককে গালিগালাজ করেন বলে বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেছেন।
 
পরে রাত ১০টার দিকে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মো. আইনুল হক বলেন, ঐ শিক্ষকের ছুটি প্রত্যাহারের দাবিতে আমরা বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্যের সামনে আগামী রবিবার থেকে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করব।
 
বৃহস্পতিবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার মো. মজিবুর রহমান মজুমদার স্বাক্ষরিত পৃথক দুইটি অফিস আদেশ সূত্রে জানা যায়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। উক্ত কর্মসূচি চলাকালীন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক মাহবুবুল হক ভূঁইয়া তার বিভাগের ১ম ব্যাচের ক্লাস নেয়াকে কেন্দ্র করে বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে তাকে ২০ আগস্ট থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছুটি দেয়া হয়।
 
ইত্তেফাক/এমআর