জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার শুভেচ্ছা দূত হিসেবে নির্বাচিত করায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে। মুগাবেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার শুভেচ্ছা দূত হিসেবে ঘোষণার পর ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্র হতাশা ব্যক্ত করেছে। বিস্ময় প্রকাশ করে ব্রিটেন বলেছে, রবার্ট মুগাবেকে দূত নিয়োগ করার ফলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনেক ভালো কাজ আড়াল হয়ে যাবার আশংকা আছে।
সমালোচকেরা বলছেন, মুগাবের নিজের দেশে মানুষের অধিকারের যে অবস্থা তা বিবেচনা করলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এমন গুরুত্বপূর্ণ পদে মুগাবেকে মনোনয়ন দেয়াটা হতাশাজনক সিদ্ধান্ত এবং এতে সংস্থাটির ঐতিহ্য ম্লান হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছে কেউ কেউ। জিম্বাবুয়ের বিরোধী দল ও ক্যাম্পেইন গ্রুপগুলো বলছে এমন সিদ্ধান্ত এক ধরনের রসিকতা। এমন সমালোচনার প্রেক্ষাপটে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বলেছেন, জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট রবার্ট মুগাবেকে তাদের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করে দেখা হচ্ছে।
জাতিসংঘ সাধারণত শুভেচ্ছা দূত হিসেবে পৃথিবীখ্যাত মানুষদেরই বেছে নেয়। যেমন- চলচ্চিত্র তারকা অ্যাঞ্জেলিনা জোলি, টেনিস তারকা রজার ফেদেরার জাতিসংঘের শুভেচ্ছা দূত হয়ে কাজ করেছেন। কিন্তু ৯৩ বছর বয়সী রবার্ট মুগাবের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় নিয়োগের ঘোষণার পর অনেকেই মনে করছেন, ‘তাকে শুভেচ্ছা দূত করাটা যথার্থ সিদ্ধান্ত হয়নি, একনায়কতান্ত্রিক শাসক আর মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য পশ্চিমা জগতে যার দুর্নাম রয়েছে।’ বিবিসি।
ইত্তেফাক/সেতু
