প্রকাশ্যে জাতীয় সঙ্গীত ও পতাকা অবমাননা করলে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে আইন পাসের কথা বিবেচনা করছে চীন। সোমবার থেকে শুরু হওয়া পার্লামেন্টের মাসিক অধিবেশনে খসড়া আইনটি পাসের জন্য উত্থাপন করা হয়েছে।
এই বছরই সেপ্টেম্বর মাসে জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা করলে ১৫ দিনের সাজার বিধান রেখে একটি আইন পাস করা হয়। আইনটি চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হংকং এবং ম্যাকাও এর জন্যেও প্রযোজ্য ছিল। সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া বলছে, জাতীয় সঙ্গীতের কথা ও সুর দেশের ভিতরে বা বাইরে যেখানেই বিকৃত করা হোক না কেন তা ফৌজদারি আইনের আওতায় এনে বিচার করার কথা বিবেচনা করছে দেশটি।
আইনটি কবে পাস হবে তা পরিষ্কার না হলেও, এ সপ্তাহের শেষ নাগাদ পাস হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগের আইনটি হংকংয়ের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হলেও নতুন আইনটি যুক্ত করা হবে কিনা তা এখনও স্পষ্ট না। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের সময় হংকংয়ের সমর্থকরা চীনের জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করে। তখন হংকংয়ের ফুটবল সংস্থাকে জরিমানা করেছিল ফিফা ।
পার্লামেন্টের আইন বিষয়ক কমিশনের ডেপুটি প্রধান ঝ্যাং রোংসুন বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হংকংয়ে ঘটে যাওয়া জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা করার ঘটনাগুলো এক দেশ দুই নীতির মূল আদর্শকে হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে এবং তা জনগণের মাঝে ঘৃণা ছড়িয়ে দিচ্ছে। তাই জাতীয় সঙ্গীত আইনটি হংকংয়ে কার্যকর করা জরুরি বলে তিনি মনে করেন।
এদিকে এশিয়ান ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা হংকংয়ের ফুটবল সংস্থাকে তাদের সমর্থক সম্পর্কে এই বলে সতর্ক করেছে যে, ১ অক্টোবর মালয়েশিয়া এবং হংকং এর মধ্যকার অনুষ্ঠিত ফুটবল ম্যাচে জাতীয় সঙ্গীত অবমাননার ঘটনা ঘটতে পারে। রয়টার্স।
ইত্তেফাক/সাব্বির
