অসাধারণ পারফরম্যান্স, মন মাতানো বিনোদন, বিজয়ীদের উচ্ছ্বাস আর কারি শিল্পের সংকট নিরসনে জোরালো দাবি। সব মিলিয়ে ব্রিটিশ কারি অ্যাওয়ার্ডস আরও একবার জানান দিল কারি শিল্পের অন্যসব আয়োজনের চেয়ে এটি কেন আলাদা।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে সশরীরে আসতে পারেননি। তবে চমক হিসেবে হাজির হয়েছেন ভিডিও বার্তায়। তিনি বলেছেন, ব্রিটেনে কারি রেস্টুরেন্টগুলোর জনপ্রিয়তা এখন আর বিস্মিত হওয়ার মতো কোন ঘটনা নয়। আজ যারা বিজয়ী তারা নি:সন্দেহে ব্রিটেনের সেরা।
থেরেসা মে বিজয়ী রেস্টুরেন্টের উদ্যোক্তাদের অভিনন্দন জানান। ব্রিটিশ কারি অ্যাওয়ার্ডসের প্রতিষ্ঠাতা এনাম আলী এমবিই তার বক্তব্যে বলেন, 'বাংলাদেশ উন্নয়নের জন্য একটি অসাধারণ জায়গা'। তিনি তার আমন্ত্রণে বাংলাদেশ সফরকালে সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের বাংলাদেশ সম্পর্কে উজ্জ্বল ধারণার কথা আরও একবার মনে করিয়ে দেন।
এনাম আলী এমবিই তার বক্তব্যে বলেন, কারি শিল্পের চলমান সংকট নিরসনে ১০০ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। যেখানে কারি শিল্পের সমস্যা সমাধানের বেশকিছু উপায় বাতলে দেওয়া হয়েছে। তিনি আশা করেন, এই প্রতিবেদন সমস্যা সমাধানের পথে এগিয়ে যাওয়ার রাস্তা খুলে দেবে।
ইত্তেফাক/আনিসুর
