তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ছাত্রলীগের দুইগ্রুপের মধ্যে সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে। এতে দুইজন ছাত্রলীগ কর্মী আহত হয়। বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহাজালাল ও শাহ আমানত হলের সামনে এ সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে। আহতদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় আহতরা হলেন- হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের দীন ইসলাম। ক্যাম্পাসে সে বগি ভিত্তিক গ্রুপ সিক্সটি নাইনের কর্মী বলে পরিচিত। অন্যজন, সংস্কৃত বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের মাসুম মিয়া। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের বগি ভিত্তিক গ্রুপ সিএফসি এর কর্মী হিসাবে পরিচিত।
সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে কলম চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সিএফসি গ্রুপের একজন ছাত্রলীগ কর্মীর সাথে সিক্সটি নাইন গ্রুপের একজন কর্মীর কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে দেড়টার দিকে সিএফসি গ্রুপের কর্মীরা আমানত হলের সামনে ও সিক্সটি নাইনের কর্মীরা শাহজালাল হলের সামনে জড়ো হতে থাকে। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এসময় উভয় গ্রুপের দু’জন কর্মী আহত হয়। পরে তাদেরকে চিকিৎসার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল ও আমানত হলে মুখোমুখি অবস্থান নিলে পুলিশ তাদেরকে ধাওয়া দিয়ে হলে ঢুকিয়ে দেয়।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের স্থগিত কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সিক্সটি নাইন গ্রুপের নেতা মুনছুর আলম বলেন, দুপুরে আমাদের এক জুনিয়রের সাথে তাদের এক কর্মীর কথা কাটাকাটি হয়েছিল। পরে তারা এ বিষয়ে সমঝোতার কথা বলে আমাদের এক কর্মীকে বিনা কারণে মারধর করে। তবে আমরা সিনিয়ররা বসে সমাধানের চেষ্টা করছি।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের স্থগিত কমিটির সহ-সভাপতি ও সিএফসি গ্রুপের নেতা রেজাউল হক রুবেল বলেন, জুনিয়রদের সাথে ভুল বুঝাবুঝির কারণে সামন্য ঝামেলা হয়েছে। আমরা সিনিয়রা বসে এর সমাধান করছি এবং যারা দোষী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোহাম্মদ আলী আজগর চৌধুরী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে কোন ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি করার চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করব। এ ব্যাপারে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না এবং এ বিষয়ে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ইত্তেফাক/এমআই
