ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস যথাযোগ্য মর্যাদা ও উত্সাহ উদ্দীপনায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন করেছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রদূত সামিনা নাজ কর্তৃক জাতীয় পতাকা উত্তোলন, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ, দোয়া ও মোনাজাত, আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
রাষ্ট্রদূত শনিবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি সূচনা করেন। দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ এবং ভিয়েতনামে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এসময় উপস্থিত ছিলেন। এখানে স্বাধীনতার যুদ্ধের শহীদদের রুহের মাগফেরাত ও দেশের সুখ-সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত ও দোয়া করা হয়। রাষ্ট্রদূত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন।
দুপুরে স্থানীয় শেরাটন হোটেলে বিজয় দিবসের তাত্পর্য উল্লেখ করে আলোচনা সভা ও মধ্যহ্নভোজের আয়োজন করা হয়। ভিয়েতনামে কূটনৈতিক কোরের ডিন ও ভেনিজুয়েলার রাষ্ট্রদূত, ভারত, মিশর, স্পেন, আজারবাইজান, সৌদি আরব, শ্রীলঙ্কাসহ বেশ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্রদূত, ভিয়েতনাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্টসহ সরকারি কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত সামিনা নাজ বিজয় দিবসের তাত্পর্য এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবিসাংবিদিত নেতৃত্বের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। এরপর তিনি মুক্তিযুদ্ধে অকুতোভয় বীর সৈনিক, অগণিত শহীদ, মহিলা মুক্তিযোদ্ধা, ত্যাগ স্বীকারকারি জনসাধারণের কথা কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করেন। তিনি বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও আর্থসামাজিক অগ্রগতি বিষয়ে অতিথিদের অবহিত করেন। IMG0
অনুষ্ঠানে সম্মাণিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ভিয়েতনামের ন্যাশনাল এ্যাসেম্বলির সদস্য, পররাষ্ট্র বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য মিস লে থু হা। তিনি তার বক্তব্য স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন। অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশের অগ্রগতির উপর একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শিত হয়।
ইত্তেফাক/এমআই
