আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসে সোমবার জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অভিবাসী দিবস উদযাপন উপলক্ষে ‘অভিবাসনের সত্যান্বেষণ: বিশ্ব অভিবাসন রিপোর্ট ২০১৮ এবং অভিবাসন ব্যবস্থাপনার নির্দেশক এর উদ্বোধন’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)। অনুষ্ঠানটিরসহ-আয়োজক ছিল বাংলাদেশ ও পর্তুগাল।
ইভেন্টটির কী-নোট স্পীকার ছিলেন আইওএম এর মহাপরিচালক রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম ল্যাসি সুইং। জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন এবং পর্তুগালের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত ফ্রান্সসিসকো ডুয়ারর্টে লোপেজ ইভেন্টটিতে স্বাগত বক্তব্য দেন। বিশ্ব অভিবাসন রিপোর্ট ২০১৮ এর উদ্বোধন এবং অভিবাসন ব্যবস্থাপনার নির্দেশকসমূহকে পরিচিত করানোর লক্ষ্যেই এই ইভেন্টটি আয়োজন করা হয়।
রাষ্ট্রদূত মাসুদ উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বব্যাপী অনিয়মিত ও অনিরাপদ অভিবাসনের ধারা হ্রাসের উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। দিবসটি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণীর অংশবিশেষ ‘বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে মানবপাচার বিরোধী আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের পাশাপাশি অভিবাসন ব্যয় সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে বিশ্বের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে; তিনি পড়ে শোনান।
রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিকদের পাঠানো রেমিটেন্স গ্রহণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ একটি শীর্ষস্থানীয় দেশ। আমরা সবসময়ই ন্যায়সঙ্গত জনশক্তির নিয়োগ, এর নতুন নতুন দ্বার উন্মোচন, আইনানুগ অভিবাসন, উপযুক্ত কর্ম-পরিবেশ, পরিবারের সদস্যসহ অভিবাসীদের অধিকার সংরক্ষণ, রেমিটেন্স পাঠানোর খরচ কমানো ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য সকল ফোরামে কথা বলে আসছি। তাছাড়া রূপকল্প ২০২১ ও রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নের অন্যতম নিয়ামক হিসেবে অভিবাসনকে আমরা জাতীয় উন্নয়ন নীতিমালায় সম্পৃক্ত করেছি।’
ইত্তেফাক/রেজা
