বর্ণাঢ্য আয়োজনে সুনামগঞ্জে দৈনিক ইত্তেফাকের ৬৫ বছরে পদার্পণকে উদযাপন করা হয়েছে। রবিবার বেলা ১১টায় সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
ইত্তেফাককে শুভেচ্ছা জানাতে অনুষ্ঠানে অংশ নেন, সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ, জেলা প্রশাসক মো. সাবিরুল ইসলাম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুট, সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল মজিদ, সিভিল সার্জন ডা. আশুতোষ দাশ, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার তাপস রঞ্জন ঘোষ, আইনজীবী ও কলামিস্ট হোসেন তৌফিক চৌধুরী, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও সাবেক সিভিল সার্জন ডা. সৈয়দ মোনাওয়ার আলী, সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক পরিমল কান্তি দে, সুনামগঞ্জ প্রতিদিনের উপদেষ্টা সম্পাদক কামরুজ্জামান চৌধুরী শাফি, মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান, মুক্তিযুদ্ধ চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্রের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট বজলুল মজিদ চৌধুরী খসরু, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শেরগুল আহমেদ, জেলা পরিষদের সদস্য ফৌজিআরা শাম্মী, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান নিগার সুলতানা কেয়া, বদরুল কাদির শিহাব প্রমুখ।
আলোচনায় অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ বলেন, ইত্তেফাক সবসময় বস্ত্যনিষ্ঠ্য সংবাদ প্রকাশ করে। অন্যান্য পত্রিকায় কোনো খবর বের হলে অনেক পাঠকই ইত্তেফাকের পাতায় লক্ষ্য করেন, ইত্তেফাক দেখে সংবাদের সত্যতা যাচাই করেন। এই প্রাচীন পত্রিকাটি সেই সত্যকে ধারণ করে সামনে এগিয়ে যাবে বলে আমরা প্রত্যাশা করি।
জেলা প্রশাসক মো. সাবিরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের সংবাদপত্র শিল্পে শৈল্পিক ও বাণিজ্যিক দুটি ধারারই শুরু করেছিল ইত্তেফাক। একটি রাজনৈতিক পরিবার দ্বারা পরিচালিত হয়েও ইত্তেফাক সবসময় নিরপেক্ষ সংবাদ প্রকাশ করেছে।
জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুট বলেন, ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ট সম্পর্ক ছিল। ইত্তেফাক বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, বাঙ্গালীর স্বাধিকার আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ দলিল।
আলোচনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইত্তেফাকের সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মো. বুরহান উদ্দিন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ফিচার রিপোর্টার তাওসিফ মোনাওয়ার। আলোচনার পর কেক কেঁটে ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। এর আগে সকালে প্রেসক্লাব থেকে একটি র্যালী বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
ইত্তেফাক/ রেজা
