যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি অফিস খুললেও কাজ বন্ধ

আপডেট : ২৩ জানুয়ারি ২০১৮, ০৯:৪০
 
যুক্তরাষ্ট্রে সাপ্তাহিক ছুটি শেষে গতকাল সোমবার সরকারি অফিস খুললেও কাজ বন্ধ রয়েছে। তবে জরুরি সেবাগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত ছিল। স্থানীয় সময় গতকাল দুপুরে সিনেটে ফের ভোটাভুটি হওয়ার কথা। তবে এত ব্যয় বরাদ্দের বিলটি পাস হওয়া নিয়ে সংশয় রয়েছে। খবর সিএনএনের
 
বাজেট পাস নিয়ে সংশয় কেবল ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে নয়, রিপাবলিকানদের মধ্যেও আছে। সিনেট সংখ্যাগরিষ্ঠ রিপাবলিকান দলের হুইপ জন করনিনও বলেছেন, সোমবার দুপুরে ভোট না করে সমঝোতায় এসে একদিন পরই ভোটাভুটি হওয়া মঙ্গলজনক ছিল। একটা ব্যর্থ প্রস্তাব পেশ করার চেয়ে সেটি যাতে সফলতা পায় সেই চেষ্টা করা।
 
গতকাল সকালে দুই দলের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। তবে তাতে কোনো সমঝোতা হয়েছে কিনা তা জানা যায়নি। শাটডাউন হওয়ায় প্রয়োজনীয় কর্মকর্তাকে অফিসে আসতে হবে। তবে তাদের বেতন পরে দেওয়া হবে। যারা অপ্রয়োজনীয় তাদের বিনা বেতনে ছুটি কাটাতে হবে। নিউ ইয়র্কের গভর্নর অ্যান্ড্রিই কুওমো জানান, জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলো সচল রাখা হবে। তাদেরকে রাজ্যের তহবিল থেকে বেতন দেওয়া  হবে। সাত লাখের বেশি অনিবন্ধিত অভিবাসী শিশু বয়সে আমেরিকায় ঢুকেছেন। ডেমোক্র্যাটরা চাইছেন তাদের বহিষ্কারের হাত থেকে রক্ষা করে স্থায়ী করতে। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওবামা এক কর্মসূচির মাধ্যমে তাদের সাময়িক আইনি বৈধতা দিয়েছিলেন।
 
কিন্তু সেপ্টেম্বর মাসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা করেন তিনি এ কর্মসূচি বন্ধ করে দেবেন এবং কংগ্রেসকে একটা নতুন পদক্ষেপ চূড়ান্ত করতে মার্চ মাস পর্যন্ত সময় দেন। এরপর শুরু হয় দু’দলের মধ্যে দরকষাকষি। ট্রাম্প এবং রিপাবলিকান চাইছিলেন ডেমোক্র্যাটদের এ প্রস্তাব মেনে নেবার বিনিময়ে তাদেরকে আবার রিপাবলিকানদের দুটি প্রকল্প মেনে নিতে হবে। এগুলো হচ্ছে- মেক্সিকো সীমান্তের দেয়াল নির্মাণ এবং নিম্ন আয়ের পরিবারের শিশুদের স্বাস্থ্যবীমা কর্মসূচির মেয়াদ বৃদ্ধি যা ডেমোক্র্যাটরা বন্ধ করে দেবার পক্ষে। কিন্তু উভয় দলের সম্মতি আছে এমন দুটি আপোষরফার প্রস্তাবকে ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করেন।
 
ইত্তেফাক/মোস্তাফিজ