ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যার পর অধ্যক্ষ সিরাজদ্দৌলার অপকর্মের তথ্য বেড়িয়ে আসছে। যারা এত দিন ভয়ে মুখ খুলতে পারেনি তারা এখন অধ্যক্ষের অপকর্মের তথ্য দিচ্ছেন।
সোনাগাজীর সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার একটি সূত্র জানায়, নুসরাত জাহান রাফির ঘটনার আগে আরেকটি মেয়েকে যৌন নির্যাতন করেন অধ্যক্ষ সিরাজদ্দৌলা। এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে অধ্যক্ষের কাছ থেকে নগদ ৪ লাখ টাকা নিয়েছিলেন মাদ্রাসা কমিটির সদস্য জামশেদ ও কাউন্সিলর মাকছুদ আলম।
আরো পড়ুন: দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা ওবায়দুল কাদেরের
ওই সূত্র আরও জানায়, এই দুই ব্যক্তি ছাড়াও নুর উদ্দিন ও শাহাদাত হোসেন শামীম, জাবেরসহ আরও কয়েকজন অধ্যক্ষ সিরাজদ্দৌলার অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করতেন।
এদের মধ্যে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকছুদ আলম, নুর উদ্দিন, শামীমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদিকে নুসরাতের ভাইয়ের করা মামলার আট আসামির মধ্যে এখন পর্যন্ত সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/জেডএইচ
