প্রযুক্তি বিজ্ঞানী ও মানবাতীবাদী লেখক মৃত্যুঞ্জয়ী অভিজিৎ রায়কে প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে স্মরণ করেছে গণজাগরণ মঞ্চ, নিউইয়র্ক। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক ও সংগঠক মুজাহিদ আনসারী, বিশিষ্ট চলচ্চিত্রকার কবির আনোয়ার, মুক্তিযোদ্ধা সুব্রত বিশ্বাস, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আহবায়ক মিথুন আহমেদ, সেক্যুলার বাংলাদেশ মুভমেন্ট যুক্তরাষ্ট্র শাখার আহ্বায়ক শুভ রায়, জাসদ যুক্তরাষ্ট্র শাখার সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম জিকু, সাংস্কৃতিক কর্মী দীনেশ চন্দ্রসহ মুক্তমনা এবং মুক্তচিন্তার প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
সম্বলিত সাংস্কৃতিক জোটের আহ্বায়ক মিথুন আহমেদের সঞ্চালনায় বিগত সময়ে নিহত বাংলাদেশে মুক্তচিন্তার ব্লগার, লেখক ও প্রকাশকসহ সকলের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠক গোপাল সান্যাল তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের সক্রেটিস অভিজিৎ রায় মৃত্যুঞ্জয়ী। সাংবাদিক মুজাহিদ আনসারী বলেন, বাংলাদেশের এক শ্রেণীর ধর্ম ব্যবসায়ীরা ধর্মান্ধতার দোহাই দিয়ে বাংলার প্রাণের মেলা 'বই মেলায়' চাপাতির আঘাতে শুধু অভিজিৎ রায়কেই আঘাত করেনি, আঘাত করেছে লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়।
সেক্যুলার বাংলাদেশ মুভমেন্ট যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বায়ক বলেন, প্রকাশ্য দিবালোকে চাপাতির আঘাতে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার ক্ষণজন্মা শিক্ষক হুমায়ূন আজাদ, মৃত্যুঞ্জয়ী লেখক গবেষক অভিজিৎ রায়, ব্লগার রাজীব, ওয়াশিকুর রহমান বাবু, বিজ্ঞানমনস্ক নবীন লেখক অনন্ত বিজয়দাশসহ টার্গেট কিলিং ছিল রাজনৈতিক ছকের অংশ। মুক্তিযুদ্ধের অর্জনকে ধ্বংস, অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে হত্যা, মুক্তবুদ্ধির দেশকে নিশ্চিহ্ন ও প্রগতির চাকাকে স্তব্ধ করে দেয়ার জন্যই হত্যার হোলি খেলেছে ঘাতকেরা। এসব হত্যাকাণ্ডের স্বরূপ উন্মোচন করতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে তেমনি ঘাতকেরা উৎসাহ পেয়েছে।
ইত্তেফাক/এসএস
